• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৮ মে, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

রূপপুরে পরিবেশগত তথ্য বিশ্লেষণে ২৪টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন


ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি  মে ৮, ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম
রূপপুরে পরিবেশগত তথ্য বিশ্লেষণে ২৪টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন

ছবি : প্রতিনিধি

ঈশ্বরদী: পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এলাকায় পরিবেশগত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের জন্য ২৪টি স্বয়ংক্রিয় জরুরি প্রতিক্রিয়া পরিবেশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে কেন্দ্রের আশপাশের বাতাস, ঘাস, দুধ, সবজি, মাটি ও পানির মান নিয়মিতভাবে যাচাই করা হচ্ছে।

ভবিষ্যতে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রাও পরিমাপ করা হবে বলে নিশ্চিত করে প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবীর হোসেন বলেন, বিশ্বের যেসব পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে, সেখানে পরিবেশগত পরিবর্তনের কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। তবে মানুষের আস্থা নিশ্চিত করতে ২৪টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

এই কেন্দ্রগুলো পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চারপাশের বিভিন্ন এলাকায় বসানো হয়েছে। এমনকি রাজধানী ঢাকাতেও একটি উঁচু পর্যবেক্ষণ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে।

এই স্বয়ংক্রিয় জরুরি প্রতিক্রিয়া পরিবেশ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আশপাশের পরিবেশগত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়। এর একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ রয়েছে প্রকল্পের নিরাপদ অঞ্চল গ্রিন সিটি আবাসিক এলাকায়। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেও এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে নির্মাণাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের আগের প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবরের অনুরোধে এই পুরো ব্যবস্থাটি বিনামূল্যে স্থাপন করে দিয়েছে সহায়তাকারী দেশ রাশিয়া।

গত প্রায় ১০ বছরের পরিবেশগত তথ্য যেমন বাতাসের মান, মাটি, পানি, ঘাস, সবজি ও দুধের উপাত্ত এখানে সংরক্ষিত রয়েছে। এদিকে গত ২৮ এপ্রিল এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক হিসেবে পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন দেশের প্রথম রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের (আরএনপিপি) প্রথম ইউনিটে বাটন পারমাণবিক জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) লোডিং বা ‘ফিজিক্যাল স্টার্টআপ’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ার পর তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা বা পরিবেশের কোনো পরিবর্তন হচ্ছে কি না, তা এই ব্যবস্থার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো দুর্ঘটনা বা অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়লে এই কেন্দ্র থেকেই তা দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

এই পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে নির্দিষ্ট সময় পরপর তথ্য সাধারণ মানুষের কাছেও প্রকাশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এখানে কর্মরতদের জন্য তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপের যন্ত্রও স্থাপন করা হয়েছে।

পিএস

Link copied!