ছবি : প্রতিনিধি
ঢাকা: চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেছেন, সরকার যেই বাজেট ঘোষণা করেছেন তা অত্যন্ত জনবান্ধব বাজেট। কেননা এই বাজেটের পরতে পরতে, পৃষ্ঠায় পৃ্ষ্ঠায় নারী, শিশু ও শ্রমিকদের অধিকারের কথা উঠে এসেছে। প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া আজীবন শ্রমিক অধিকার, নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে লড়ে গেছেন। এরপর এই শ্রেণিগুলোর জন্য আর কোন কাজ হয়নি। বর্তমানে তার সুযোগ্য সন্তান আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এর ব্যতিক্রম নয়। তিনি শ্রমিকদের অধিকারগুলোকে নিজের জীবনে ধারণ করে কাজ করে যাচ্ছেন। যা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাজেরই ধারাবাহিকতা।
শুক্রবার (১৯ জুন) রাজধানীর শহীদ মিনারে আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দৈনিক ভিত্তিক ও মাষ্টাররোল কর্মচারীদের সংগঠন ‘’দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারী সমিতি’’ মহাসমাবেশটি আয়োজন করে।
সাঈদ আল নোমান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজেকে সবসময় একজন শ্রমিক হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করতেন। তাঁর সেই আদর্শকে ধারণ করে আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়তে কাজ করে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বিগত ১৭ বছরে দেশের সবচেয়ে বড় মজলুম ব্যক্তি ছিলেন। তিনি দেশের সাধারণ মানুষ ও মেহনতি শ্রমিকের ভাগ্য পরিবর্তনে বদ্ধপরিকর। তাঁর দিকনির্দেশনায় শ্রমিকবান্ধব, কলকারখানা বান্ধব এবং নারী ও শিশু বান্ধব বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। এই বাজেটের কয়েক পৃষ্ঠা পরপরই নারী ও শিশুদের অধিকার এবং কল্যাণের কথা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাংলাদেশ এমন একজন রাষ্ট্রনায়ক পেয়েছে যার চিন্তাভাবনা জুড়ে রয়েছে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী।
তিনি বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে শুধু আইনী কাঠামো চিন্তা না করে শ্রমিকদের অধিকার বাস্তবায়ন করতে হবে। চাকরির নিরাপত্তা যেমন দিতে হবে, ন্যায্য মজুরিও নিশ্চিত করতে হবে। কথায় কথায় শ্রমিক ছাঁটাই চলবে না।
শ্রমিকদের অধিকার প্রসঙ্গে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে আর কোনো তালবাহানা চলবে না। শ্রমিকরা জীবন দিয়ে কাজ করেন, তাই ইউনিয়নের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে তাদের মজুরি দিতে হবে। তারেক রহমানে সেই কথাগুলো রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও বাজেটে প্রতিফলিত করেছেন। তিনি বলেছেন, 'করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ'—এই স্লোগান ও দর্শন তারেক রহমানই আমাদের মাঝে নিয়ে এসেছেন। আমাদের মূল লক্ষ্য—সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ। তিনি বলেন, রাজনীতি মানে মানুষের জন্য মায়া, মহব্বত। দায়িত্ববোধ। যখন কোন পরিবারেও কোন সদস্যের প্রতি গৃহকর্তার মায়া-মহব্বত থাকে তখন তার দ্বারা কোন অন্যায় হয় না। আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জনগণের জন্য দরদের সেই রাজনীতি করতে চাই।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের প্রধান সমন্বয়ক ও পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারী সমিতির আহ্বায়ক মো. বোরহান উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মিজানুর রহমান বাদলের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ, কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন, মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, তাসলিমা আখতার, মাহা মির্জা এবং বদরুল আলম সবুজ।
পিএস







































