• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

পিএস ও স্ত্রীর পরকীয়ার বলি হওয়ার দাবি মুফতি মিছবাহর


সোনালী ডেস্ক নভেম্বর ৬, ২০২৬, ০৪:১০ পিএম
পিএস ও স্ত্রীর পরকীয়ার বলি হওয়ার দাবি মুফতি মিছবাহর

ছবি: সংগৃহীত

পরিচিত ইসলামি বক্তা, লেখক ও উদ্যোক্তা মুফতি হাবিবুর রহমান মিছবাহর ব্যক্তিগত জীবন ঘিরে একের পর এক বিতর্ক সামনে আসছে। একাধিক বিয়ে, ব্যক্তিগত ভিডিও প্রকাশের বিতর্ক ও মামলার পর এবার নতুন করে তাঁর বিরুদ্ধে এক রোহিঙ্গা নারীকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এনে তিন দিন আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। তবে মিছবাহর দাবি, তাঁর সাবেক পিএস ও দ্বিতীয় স্ত্রীর পরকীয়ার ঘটনা আড়াল করতেই একটি সংঘবদ্ধ চক্র তাঁর বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা অভিযোগ ছড়াচ্ছে।

মুফতি হাবিবুর রহমান মিছবাহর ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের নেপথ্যে রয়েছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। ব্যক্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় করা এবং তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করাই এই চক্রের উদ্দেশ্য। এ কাজে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে পরিচিত হুমায়রা জান্নাত ওরফে নাঈমা, সাবেক ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) ইমরান আল হাসান এবং আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

প্রাপ্ত নথি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং মিছবাহর দেওয়া বিভিন্ন ডিজিটাল তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাপ্রবাহ অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০২৬ সালের ৪ আগস্ট তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী নাঈমা বাবার বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে তাঁদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। মিছবাহর দাবি, বাসা ছাড়ার আগে তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্কে বড় কোনো সংকট ছিল না। নিজের ও পিএস ইমরানের পরকীয়ার অপরাধ আড়াল করতেই নাঈমা তাঁর একাধিক বিয়ে ও নারীঘটিত মিথ্যা গল্প সাজিয়েছেন বলে মিছবাহ দাবি করেন। তবে এ বিষয়ে নাঈমার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই ঘটনার সবচেয়ে আলোচিত দিকটি দাঁড়িয়েছে এক রোহিঙ্গা নারীকে ঘিরে। মিছবাহকে নিজের ৬ষ্ঠ স্বামী দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বক্তব্য দিয়েছিলেন ওই নারী। তবে ওই বক্তব্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে উল্লেখ করেন মিছবাহ।

পরবর্তী সময়ে ওই নারীর আরেকটি বক্তব্য পাওয়া গেছে বলে মিছবাহর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। সেখানে ওই নারী অভিযোগ করেন, তাঁকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এনে তিন দিন আটকে রাখা হয়েছিল এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথম বক্তব্যটি দিতে বাধ্য করা হয়। এই ঘটনায় নাঈমা, ইমরান, এস এম সাইফুল ইসলাম, আহমেদ নাঈম ও ডা. ইব্রাহীম খলিলের নাম উঠে এসেছে।

অভিযোগকারী ওই রোহিঙ্গা নারী আরও দাবি করেন, নাঈমার সঙ্গে তাঁর আগে থেকেই পরিচয় ছিল। সেই পরিচয়ের সূত্রে ঢাকায় আসার সময় একটি প্র্যাঙ্ক ভিডিও ধারণ করা হয়েছিল, যা পরবর্তী সময়ে বিকৃত করে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে ওই নারীকে আটকে রাখা ও বক্তব্যের সত্যতার বিষয়টি নিয়ে এখনো প্রশ্ন রয়ে গেছে।

এসএইচ 

Link copied!