ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা: সিলেট টেস্টে হাসান মাহমুদের বিধ্বংসী বোলিংয়ে দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনে ৩৫৬ রানেই থেমে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস।
ক্যারিয়ারের পঞ্চমবারের মতো পাঁচ উইকেটের দেখা পেয়েছেন বাংলাদেশের এই পেসার। এবার অবশ্য পাঁচে থামেননি, তুলে নিয়েছেন ৬ উইকেট।
অন্যদিকে ব্যাট হাতে ক্যারিবীয়দের হয়ে একাই লড়াই করেছেন আমীর জাঙ্গু। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে তিনশ পেরিয়েছে সফরকারীদের সংগ্রহ।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক। প্রথম দিন থেকেই বাংলাদেশের বোলাররা নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ক্যারিবীয় ব্যাটারদের চাপে রাখার চেষ্টা করেন। তবে মাঝের ও শেষদিকে কয়েকটি জুটি গড়ে লড়াই করার মতো সংগ্রহ পায় সফরকারীরা।
ইনিংসের শুরুতে বাংলাদেশের বোলারদের সামনে খুব একটা স্বস্তিতে ছিলেন না ক্যারিবীয় ব্যাটাররা। তবে দলের বিপর্যয় সামাল দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন কেভিন উইকহ্যাম ও জাঙ্গু। দুজনের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। উইকহাম ১৪৫ বল মোকাবিলা করে ৫টি চারের সাহায্যে করেন ৬১ রান। তার ইনিংসটি থামিয়ে বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু এনে দেন হাসান মাহমুদ।
উইকহ্যাম ফিরে গেলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে ব্যাটিং চালিয়ে যান জাঙ্গু। ধৈর্য ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের মিশেলে বাংলাদেশের বোলারদের কঠিন পরীক্ষায় ফেলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ২১২ বলে ১৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ১৩৩ রান করেন তিনি। এটি তার ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বড় সংগ্রহ গড়ার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হয়ে ওঠে।
জাঙ্গুর পাশাপাশি ব্যাট হাতে অবদান রাখেন জাস্টিন গ্রিভস। ১১২ বলে ৫১ রান করে অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি। এ ছাড়া শেষদিকে জোমেল ওয়ারিকান অপরাজিত ২৭ এবং জশুয়া বিশপ ২৫ বলে ২৩ রান করেন। তাদের ছোট ছোট অবদানে সাড়ে তিনশর ঘরে পৌঁছে যায় ক্যারিবীয়দের সংগ্রহ।
তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসে সবচেয়ে বড় ধাক্কা দিয়েছেন হাসান। ২৪ ওভার বোলিং করে ১ মেডেনসহ ৯০ রান খরচায় ৬ উইকেট শিকার করেন এই ডানহাতি পেসার। হাসানের পাশাপাশি ভূমিকা রেখেছেন তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজনই পেয়েছেন দুটি করে উইকেট। তাসকিন ২১ ওভারে ৯০ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। অন্যদিকে মিরাজ ৩১.৪ ওভারে ৫ মেডেনসহ ৮২ রান খরচায় শিকার করেন ২ উইকেট।
পিএস







































