ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা: দেশে জ্বালানি তেলের দামের প্রভাব পড়েছে খাদ্য দ্রব্যের উপর। এর প্রভাবে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত উভয় খাতে পণ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মে মাসে মূল্যস্ফীতির হার আরও বেড়ে ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে।
গত মে মাসে ৯ শতাংশের ঘর ছাড়িয়ে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে। এপ্রিলে এ হার ছিল ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ।
রোববার (৭ জুন) প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাদ্য ও খাদ্য বর্হিভূত উভয় খাতে মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় একমাসের ব্যবধানে এ সূচক বেড়েছে দশমিক ৩৮ শতাংশীয় পয়েন্ট।
গত ১৯ এপ্রিল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় সরকার। প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১১২ থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা, অকটেন ১২০ থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা ও পেট্রলের দাম ১১৬ থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে। পরে গত ৩১ মে আবারও এক দফা দাম বাড়ানো হয়। অবশ্য তা মে মাসের মূল্যস্ফীতি গণনায় প্রভাব ফেলতে পারেনি।
এ ছাড়া গত সপ্তাহে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। ফলে চলতি জুন মাসে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন।
বিবিএসের হিসাব অনুসারে, গত মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয় ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ। গ্রাম-শহরনির্বিশেষে সার্বিক মূল্যস্ফীতি এখন ৯ শতাংশের বেশি।
গত মে মাসে জাতীয় গড় মজুরি হার হয়েছে ৮ দশমিক ২১ শতাংশ। এর মানে হলো, যত মূল্যস্ফীতি হয়েছে, এর চেয়ে মজুরি কম বেড়েছে। ফলে বাজার থেকে পণ্য কিনতে ভোগান্তি বাড়ছে।
পিএস







































