ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি সাত কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত ফাইনাল পরীক্ষার প্রশ্ন অর্থের বিনিময়ে ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে তথাকথিত ‘ইলিয়াস চক্র’। বিশ্বস্ত সূত্রের দাবি, এ ঘটনায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী কোনো না কোনোভাবে জড়িত।
প্রশ্নফাঁসের ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত ঢাকা কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি। এতে সাত কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, ঢাকা কলেজ থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ায় আমাদের প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্য ও সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর সঙ্গে জড়িত শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী-যেই হোক না কেন-তাদের দ্রুত তদন্ত কমিটির মাধ্যমে শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে অন্য কোনো কলেজ বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ জড়িত কি না, তাও তদন্ত করে বের করা জরুরি।
আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ২৪ ঘণ্টা পার হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়াটা অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাজনক। কম্পিউটার অপারেটর ইলিয়াসসহ যারা জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা আমাদের দাবি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস বলেন, প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে আমিও শুনেছি। এখনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি। তবে আগামীকালই এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।
ইলিয়াস চক্রের মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে-এ বিষয়ে সাত কলেজের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিমাদ্রি শেখর চক্রবর্তী বলেন, আমি বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ ও সমন্বয়কের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,
যেহেতু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ঢাকা কলেজের, তাই আগে সেখান থেকে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হবে। যদি ঢাকা কলেজে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়া যায়, তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এম







































