• ঢাকা
  • শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

দুই মাসেও চালু হয়নি ঢাকা কলেজ মসজিদের এসি, ভোগান্তিতে মুসল্লিরা


ঢাকা কলেজ প্রতিনিধি জুন ২০, ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম
দুই মাসেও চালু হয়নি ঢাকা কলেজ মসজিদের এসি, ভোগান্তিতে মুসল্লিরা

ছবি : প্রতিনিধি

ঢাকা কলেজ: ঢাকা কলেজের জামে মসজিদে প্রায় দুই মাস আগে এসি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। তবে প্রতিস্থাপনের এতোদিন পেরিয়ে গেলেও এখনো এসিগুলো চালু করা হয়নি। ফলে প্রচন্ড গরমের মধ্যে নামাজ আদায় করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন মুসল্লীরা।

জুমার নামাজ ও অন্যান্য ওয়াক্তের নামাজে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন। এ বিষয়ে মুসল্লীদের মধ্যে অসন্তোষ ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত এসিগুলো চালু করে স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে শিক্ষার্থী সিয়াম আহমেদ বলেন, ঢাকা কলেজের জামে মসজিদে এসি স্থাপনের পর শিক্ষার্থী ও মুসল্লিদের মধ্যে স্বস্তিতে নামাজ আদায়ের আশা তৈরি হয়েছিল। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এসিগুলো চালু না হওয়ায় সেই প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি। প্রতিদিন তীব্র গরমের মধ্যেই নামাজ আদায় করতে হচ্ছে, যা অনেক সময় বেশ কষ্টকর হয়ে ওঠে। বিশেষ করে জুমার নামাজের সময় মুসল্লিদের সংখ্যা বেড়ে গেলে গরম আরও অসহনীয় হয়ে পড়ে। এসি স্থাপন করা হলেও তা ব্যবহার করতে না পারার বিষয়টি হতাশাজনক। তাই শিক্ষার্থী ও মুসল্লিদের কথা বিবেচনা করে দ্রুত এসিগুলো চালুর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য  কলেজ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই।

এ বিষয়ে নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে শিক্ষার্থী ইমরান বলেন, ঢাকা কলেজের জামে মসজিদে বেশ কিছুদিন আগে এসি স্থাপন করা হলেও এখনো তা চালু হয়নি। ফলে প্রতিদিনই মুসল্লিদের তীব্র গরমের মধ্যে নামাজ আদায় করতে হচ্ছে। মসজিদে থাকা ফ্যানগুলোও পর্যাপ্ত স্বস্তি দিতে পারছে না। বিশেষ করে জুমার নামাজের সময় মুসল্লিদের সংখ্যা বেড়ে গেলে গরম আরও অসহনীয় হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে নামাজ আদায়ে অনেক কষ্ট হয়। তাই শিক্ষার্থী ও মুসল্লিদের স্বার্থে দ্রুত এসিগুলো চালু করার জন্য কলেজ প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস বলেন, জামে মসজিদে স্থাপিত এসিগুলো এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি মূলত বিদ্যুতের অপর্যাপ্ত সক্ষমতার কারণে। বর্তমানে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রয়োজন, সাবস্টেশন থেকে তার পর্যাপ্ত সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি সমাধানে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও তাগিদ দিয়ে যাচ্ছি। গত বছর এ প্রকল্পের বাজেট অনুমোদন হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি কাজ প্রকৌশলীদের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১৩টি এসি স্থাপন করা হয়েছে, যার মোট ধারণক্ষমতা ২৬ টন। এছাড়া আরও ৭টি এসি, মোট ১৪ টন ক্ষমতার, স্থাপন করা হবে। আশা করছি, প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত কাজ শেষ হলে খুব দ্রুতই এসিগুলো চালু করা সম্ভব হবে।

পিএস

Link copied!