• ঢাকা
  • শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

সুইডেনে বাংলাদেশিসহ অভিবাসীদের জন্য নতুন সুযোগ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৯:৪৪ পিএম
সুইডেনে বাংলাদেশিসহ অভিবাসীদের জন্য নতুন সুযোগ

নতুন বছরের শুরুতেই সুইডেনে বসবাসরত বাংলাদেশিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের জন্য একাধিক ইতিবাচক সিদ্ধান্তের ঘোষণা এসেছে। স্টকহোম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটিতে নতুন আসা অভিবাসীদের কর্মসংস্থানে যুক্ত করতে শ্রমবাজারে প্রবেশের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও কার্যকর করা হচ্ছে।

ইউরোপীয় কমিশনের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিবাসীদের দক্ষতা কাজে লাগাতে সুইডেনে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় ব্যবসা খাতের মধ্যে একটি সমন্বিত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। এর মাধ্যমে শরণার্থীসহ দক্ষ বিদেশি নাগরিকদের জন্য চাকরির সুযোগ বাড়বে এবং তাদের যোগ্যতার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের লক্ষ্য

স্টকহোম কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো এমন একটি সমাজ তৈরি করা যেখানে অভিবাসীরা কেবল আশ্রয়প্রার্থী নয়, বরং সক্রিয় কর্মশক্তি হিসেবে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখবেন। এজন্য শিক্ষা, ভাষা শিক্ষা এবং পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে নতুনরা দ্রুত সুইডিশ সমাজের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেন।

সরকারের এই পদক্ষেপ ইতোমধ্যে নতুন অভিবাসীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি করেছে। অনেকেই মনে করছেন, এর ফলে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সামাজিক গ্রহণযোগ্যতাও বাড়বে।

নাগরিকত্ব নীতিতেও ইতিবাচক বার্তা

অভিবাসন নীতিতে কিছু সংশোধনের ইঙ্গিত থাকলেও সরকার জানিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদে বসবাসরত যোগ্য অভিবাসীদের নাগরিকত্ব অর্জনে উৎসাহিত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। দেশটির অভিবাসনমন্ত্রী ইয়োহান ফোরসেল বলেন, অস্থায়ী সুরক্ষার পরিবর্তে স্থায়ী নাগরিকত্ব প্রদান করে অভিবাসীদের সমাজের পূর্ণাঙ্গ অংশ করে তোলা হবে। এতে বৈধ অভিবাসীদের সামাজিক নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় সুবিধা আরও দৃঢ় হবে।

স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার ক্ষেত্রেও সহায়তা

যারা সুইডেনে স্থায়ীভাবে থাকতে অনিচ্ছুক বা নিজ দেশে ফিরে যেতে চান, তাদের জন্যও নতুন সুবিধা চালু করেছে সরকার। বছরের প্রথম দিন থেকেই কার্যকর হয়েছে বড় অংকের ‘স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন অনুদান’। এই অনুদানের আওতায় কেউ নিজ দেশে ফিরলে সরকার উল্লেখযোগ্য আর্থিক সহায়তা দেবে, যা পুনরায় জীবন শুরু করতে সহায়ক হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বিশ্লেষকদের মতে, চাকরি, নাগরিকত্ব ও প্রত্যাবাসন—এই তিন দিককে একসঙ্গে গুরুত্ব দিয়ে সুইডেন একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও মানবিক অভিবাসন নীতি বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে। এতে বাংলাদেশিসহ অভিবাসীদের জন্য নতুন সুযোগের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করাও সহজ হবে।

এম

Wordbridge School
Link copied!