• ঢাকা
  • রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী আন্দোলন, লাখো মানুষের অংশগ্রহণ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক মার্চ ২৯, ২০২৬, ০৫:২৭ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী আন্দোলন, লাখো মানুষের অংশগ্রহণ

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি, বিশেষ করে কঠোর অভিবাসন অভিযান ও ইরান ইস্যুতে সামরিক পদক্ষেপের প্রতিবাদে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। “নো কিংস” নামে পরিচিত এই আন্দোলনের তৃতীয় দফায় শনিবার (স্থানীয় সময়) হাজার হাজার শহরে মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। রোববার (২৯ মার্চ) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে  এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যে ৩,২০০টিরও বেশি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে দুই দফার বিক্ষোভেও মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ অংশ নিয়েছিল। এবারের কর্মসূচির বড় অংশই ছোট শহর ও গ্রামীণ এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা আন্দোলনের বিস্তৃতি আরও বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।

নিউ ইয়র্ক, ওয়াশিংটন, ডালাস ও ফিলাডেলফিয়ায় বড় আকারের সমাবেশ দেখা যায়। নিউ ইয়র্কে কয়েক হাজার মানুষের উপস্থিতিতে ম্যানহাটনের রাস্তায় দীর্ঘ মানবস্রোত তৈরি হয়। সেখানে অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো ট্রাম্পকে দেশের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার জন্য “অস্তিত্বগত হুমকি” বলে মন্তব্য করেন।

মিনেসোটার সেন্ট পলে অনুষ্ঠিত সমাবেশে গভর্নর টিম ওয়ালজ বলেন, “আমাদের এই আন্দোলনই আমেরিকার মানবিকতা ও গণতন্ত্রের প্রতীক।” একই সমাবেশে বক্তব্য দেন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স, যিনি বলেন, “আমরা এই দেশকে কখনও স্বৈরশাসন বা অলিগার্কিতে পরিণত হতে দেব না।”

তবে এই আন্দোলন নিয়ে সমালোচনাও এসেছে। ন্যাশনাল রিপাবলিকান কংগ্রেসনাল কমিটি এই সমাবেশগুলোকে “হেট আমেরিকা” র‍্যালি বলে আখ্যা দিয়েছে।

ডালাসে বিক্ষোভ চলাকালে সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। লস অ্যাঞ্জেলেসেও কিছু সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই বিক্ষোভগুলো যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। ইতোমধ্যে জরিপে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমে ৩৬ শতাংশে নেমে এসেছে বলে জানা গেছে।

আন্দোলনের আয়োজকরা জানিয়েছেন, রিপাবলিকান-প্রধান অঙ্গরাজ্যগুলোতেও অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, যা বিরোধী আন্দোলনের বিস্তৃতি ও শক্তি বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।

এদিকে, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপও বিক্ষোভের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। অনেক বিক্ষোভকারী এই যুদ্ধকে “অপ্রয়োজনীয়” বলে অভিহিত করেছেন।

পিএস

Wordbridge School
Link copied!