ফাইল ছবি
গ্রীষ্মের দাবদাহে মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা। তীব্র রোদ! রোদে বাইরে গেলে শরীর ঘামবেই। এর ফলে গায়ে দুর্গন্ধ হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে অনেকের ঘামেই প্রচণ্ড গন্ধ হয়, ফলে তার আশপাশের মানুষও বিব্রতকর পরিস্থিতে পড়েন।
গরমে ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তির উপায়গুলো জেনে নিন-
প্রচণ্ড রোদ এড়িয়ে চলবেন। আঁটসাঁট ও কৃত্রিম তন্তুর পোশাক না পরে পাতলা সুতির ও ঢিলে পোশাক পরুন।
গুমোট পরিবেশে না থেকে বাতাস, ফ্যান বা এসি আছে এমন জায়গায় কাজ করার চেষ্টা করুন। এতে শরীর ঘামে ভিজে যাবে না।
গরমের সময়টাতে প্রতিদিন দুইবার গোসল করার চেষ্টা করবেন। সকালের গোসলের পাশাপাশি সন্ধ্যা বা রাতের বেলায়ও আরেকবার গোসলের অভ্যাস করে নিতে পারেন। গোসলের সময় শরীরের ভাঁজগুলোতে এন্টিব্যাকটেরিয়াল সোপ ঘষতে পারেন। শরীর পরিচ্ছন্ন রাখতে পারলে ঘামের দুর্গন্ধ হবে না।
গোলাপ জল একটি স্প্রে বোতলে নিয়ে প্রতিদিন গোসলের পর লাগাতে পারেন পুরো শরীরে। তাতেও ঘামের দুর্গন্ধ দূর হবে।
নিমপাতার ব্যবহারে ঘামের দুর্গন্ধ রোধ করা যায় সহজেই। ঘামের দুর্গন্ধ হওয়ার জন্য শরীরে যে ব্যাকটেরিয়া দায়ী, তার বৃদ্ধি ঠেকাতে নিমপাতা খুব উপকারী। গোসলের সময় নিমপাতা সেদ্ধ পানি দিয়ে ব্যবহার করলে শরীরের টক্সিন রোধ হয় এবং ঘামের কটু গন্ধ দূর হয়।
যাদের ওজন বেশি তাদের ঘাম বেশি হয়। তাই ওজন কমাতে চেষ্টা করবেন। মসলাযুক্ত খাবার, কফি, অ্যালকোহল এগুলো ঘাম বাড়ায়, তাই এড়িয়ে চলুন।
অতিরিক্ত ঘামের গন্ধ দূর করতে লেবু ব্যবহার করতে পারেন। এক চা চামচ লেবুর রসে আধা চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে এই পেস্টটি বাহুতে লাগাতে হবে। পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে এই পেস্টটি মুছে ফেলুন।
গরমের দিনে গায়ে ট্যালকম পাউডার মাখুন। এটি ঘামের গন্ধ কমাতে সাহায্য করে। ভালো ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করুন। এটি সতেজ গন্ধের অনুভূতি দেবে। এছাড়া কাপড়চোপড় পরিচ্ছন্ন রাখবেন। একই পোশাক একাধিক দিনে ব্যবহার করবেন না।
এছাড়া প্রচুর পানি পান করতে হবে। রোদে বের হতে হলে ছাতা, হ্যাট ব্যবহার করবেন। ঘামে ভিজে গেলে পোশাক পাল্টে নিন। তারপরও অতিরিক্ত ঘাম হলে বিব্রত না হয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সোনালীনিউজ/এসআই
-6a397791a3645-20260622190839.jpg)
-6a3972f5e4bb5-20260622180647.jpg)





































