• ঢাকা
  • রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

পে স্কেল নিয়ে নতুন সিদ্ধান্তে সরকার, ঘোষণা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি


নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ০১:০৯ পিএম
পে স্কেল নিয়ে নতুন সিদ্ধান্তে সরকার, ঘোষণা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি

ফাইল ছবি

ঢাকা: জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসায় এবং আর্থিক সংকটের কারণে  সরকারি কর্মচারীদের পে স্কেলের ঘোষণা থেকে সরে আসছে অন্তর্বর্তী সরকার। তবে পে স্কেল বাস্তবায়নে গঠিত পে-কমিশনকে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। 

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) এ নিয়ে দীর্ঘ সভা করেছে পে-কমিশন। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান।
 
কমিশনের একটি সূত্র জানায়, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে কমিশন চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে। সরকারের হাতে যেহেতু সময় কম, তাই তা ঘোষণা দেওয়া হবে না। নির্বাচিত সরকারের কাছে তা হস্তান্তর করা হবে।

সূত্র জানায়, রাজনৈতিক, আর্থিক ও সামাজিক সংকটকে আমলে নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামোর জন্য একটি কমিশন গঠন করা হলেও নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা কিছুটা বিলম্বিত হতে যাচ্ছে। প্রথমত, আসছে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য জোর প্রস্তুতি চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ জন্য আর্থিক সংকট বিবেচনায় নির্বাচনের আগে নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণার সম্ভাবনা নেই। তবে পে-কমিশন প্রতিবেদন জমা দিলে সেই অনুযায়ী একটি বেতন কাঠামোর সুপারিশমালা চূড়ান্ত করবে বর্তমান সরকার।

এরপর নির্বাচিত নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর তা বাস্তবায়ন করবে। অবশ্য এই নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা ও বাস্তবায়ন হওয়ার আগ পর্যন্ত সরকারি চাকুরেরা নিয়ম অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা প্রাপ্য হচ্ছেন।
 
সূত্র জানায়, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো (নবম পে স্কেল) নির্ধারণের কাজ শেষ পর্যায়ে। ২১ জানুয়ারি পে-কমিশনের চূড়ান্ত সভা হওয়ার কথা রয়েছে। এ সভায় নতুন বেতন স্কেলের সুপারিশ চূড়ান্ত করা হবে।

যা পরে প্রধান উপদেষ্টা ও অর্থ উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করবে। যদিও সেই তারিখ এখন নির্ধারিত হয়নি বলে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে নতুন পে স্কেল ঘোষণার কোনো সম্ভাবনা নেই। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে না এবং সেটাই যুক্তিযুক্ত।
 
এদিকে কমিশনের অপর এক সূত্র জানায়, বেতনের অনুপাত নিয়ে তিন ধরনের প্রস্তাব করা হয়েছিল। ১:৮, ১:১০ এবং ১:১২। এর মধ্যে ১:৮ অনুপাত চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া সর্বনিম্ন বেতন নিয়ে তিনটি প্রস্তাব পর্যালোচনা হয়েছে। পরবর্তী সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত হতে পারে। নতুন বেতন কাঠামোতে ‘১:৮, ১:১০, ১:১২ ও অন্যান্য বিকল্প রাখা হয়েছে। এই অনুপাতের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ স্কেলের মূল বেতন বোঝানো হচ্ছে। অর্থাৎ সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের একজন সরকারি কর্মজীবীর বেতন যদি এক টাকা হয়, তবে সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতন হবে ৮ টাকা। আরো পরিষ্কারভাবে বললে, ১০০ টাকা বেতন ধরে ১:৮ অনুপাতে সর্বনিম্ন (২০তম) গ্রেডের বেতন ১০০ হলে সর্বোচ্চ হবে ৮০০ টাকা। সর্বনিম্ন বেতন নিয়ে তিনটি প্রস্তাব এসেছে। এর মধ্যে প্রথম প্রস্তাব ২১ হাজার টাকা বেতন স্কেল ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় প্রস্তাবে ১৭ হাজার এবং সবশেষ তৃতীয় প্রস্তাবে ১৬ হাজার টাকা বেতন স্কেল করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

পিএস

Wordbridge School
Link copied!