• ঢাকা
  • রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

বিএনপির ৩৬ নারী প্রার্থীর ব্যক্তিগত, শিক্ষা ও সম্পদের বৈচিত্র্য তথ্য


নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ০২:৩৯ পিএম
বিএনপির ৩৬ নারী প্রার্থীর ব্যক্তিগত, শিক্ষা ও সম্পদের বৈচিত্র্য তথ্য

সংগৃহীত ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি জোটের ৩৬ নারী প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তাঁদের মধ্যে প্রায় ৮৬ শতাংশ উচ্চশিক্ষিত। একই সঙ্গে আর্থিক অবস্থায় রয়েছে বড় ধরনের বৈচিত্র্য-কেউ কোটিপতি, আবার কেউ তুলনামূলক স্বল্প আয়ের ওপর নির্ভরশীল। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রেও দেখা গেছে ভিন্নতা; অনেকেই অভিজ্ঞ রাজনীতিক হলেও নতুন মুখও রয়েছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান এমএ পাস এবং বয়স ৮৫ বছর। তিনি এর আগে দুই মেয়াদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তাঁর বার্ষিক আয় ৩৬ লাখ টাকার বেশি এবং সম্পদ প্রায় ৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। শিরীন সুলতানা এমএসএস পাস, বার্ষিক আয় প্রায় ৩৭ লাখ টাকা এবং সম্পদ সাড়ে ৪ কোটির বেশি। রাশেদা বেগম হীরা এমফিল ডিগ্রিধারী, তাঁর আয় ২৫ লাখ টাকার বেশি এবং সম্পদ প্রায় দেড় কোটি টাকা।

রেহেনা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী ও মোসা. ফরিদা ইয়াসমিনসহ কয়েকজন প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএ বা সমমান। তাঁদের মধ্যে কেউ সাবেক সংসদ সদস্য, কেউ প্রথমবার প্রার্থী হচ্ছেন। বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান ও নিলোফার চৌধুরী মনির মতো প্রার্থীদের মধ্যেও রয়েছে উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত অভিজ্ঞতার সমন্বয়। তাঁদের সম্পদের পরিমাণ কয়েক লাখ থেকে শুরু করে কয়েক কোটি টাকা পর্যন্ত।

তরুণ প্রার্থীদের মধ্যে নিপুণ রায় চৌধুরী, সানসিলা জেবরিন ও সানজিদা ইসলাম তুলির মতো নাম রয়েছে। নিপুণ রায় চৌধুরীর সম্পদ প্রায় ৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা, আর সানসিলা জেবরিন একজন চিকিৎসক হিসেবে পেশাগত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। অন্যদিকে সানজিদা ইসলাম তুলির সম্পদ ২ কোটির বেশি।

মাহমুদা হাবীবা, সাবিরা সুলতানা, সুলতানা আহমেদ ও ফাহমিদা হকের মতো প্রার্থীদের মধ্যেও দেখা গেছে আয়ের ও সম্পদের ভিন্নতা। কারও বার্ষিক আয় কয়েক লাখ টাকা, আবার কারও আয় প্রায় এক কোটি টাকার কাছাকাছি। একইভাবে সম্পদের পরিমাণও কয়েক লাখ থেকে কয়েক কোটি টাকার মধ্যে বিস্তৃত।

আন্না মিন্জ, শামীম আরা বেগম স্বপ্না ও জহরত আদিব চৌধুরীর মতো প্রার্থীদের বার্ষিক আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। বিশেষ করে শামীম আরা বেগম স্বপ্নার আয় ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা, যার বড় অংশ জমি বিক্রি থেকে এসেছে। জহরত আদিব চৌধুরীর বার্ষিক আয় ৩ কোটির বেশি এবং সম্পদ প্রায় ৪ কোটি টাকা।

অন্যদিকে কিছু প্রার্থী যেমন মানসুরা আক্তার, মোছা. সুরাইয়া জেরিন বা সেলিনা সুলতানার সম্পদ তুলনামূলক কম, যা কয়েক লাখ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। তবুও তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে।

সামগ্রিকভাবে বিএনপি জোটের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের তালিকায় উচ্চশিক্ষার উপস্থিতি যেমন উল্লেখযোগ্য, তেমনি অর্থনৈতিক অবস্থার ক্ষেত্রেও রয়েছে বিস্তৃত বৈচিত্র্য। এতে অভিজ্ঞতা, পেশাগত দক্ষতা ও সামাজিক পটভূমির এক বহুমাত্রিক চিত্র ফুটে উঠেছে।

এসএইচ 

Link copied!