ঢাকা: ম্যাচের শেষটা রাঙাতে চেয়েছিল বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে সেই কাজটা অনেক এগিয়ে রেখেছিল তৌহিদ হৃদয়রা। কিন্তু বোলাররা পারলেন না কিছু করে দেখাতে। অস্ট্রেলিয়াকে ৩০৭ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ।
এক মিচেল মার্শই যেন হারিয়ে দিলেন বাংলাদেশকে। তার ১৭৭ রানের হার না মানা ইনিংসে ৩০৭ রানের লক্ষ্যও অনায়াসে টপকে গেলো অস্ট্রেলিয়া। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা জিতেছে ৮ উইকেট আর ৩২ বল হাতে রেখেই।
এদিকে অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে পারলে বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলা নিশ্চিত হতো। তা করতে পারেনি নাজমুল হোসেন শান্তর দল। তবে ৮ উইকেটের হারের পরও টাইগারদের সামনে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পথ খোলা। আগামীকাল ভারতের বিপক্ষে নেদারল্যান্ডস হারলেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিশ্চিত হয়ে যাবে টাইগারদের।
টানা ৭ জয়ে সেমিফাইনালে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। এর আগে বিশ্বকাপে নিজেদের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ডও গড়ল তারা। রান তাড়ায় অস্ট্রেলিয়াকে শুরুতেই ধাক্কা দিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ। দলীয় ১২ রানের মাথায় ট্রাভিস হেডকে (১০) বোল্ড করে ফেরান টাইগার গতিতারকা।
তবে দ্বিতীয় উইকেটে মিচেল মার্শ আর ডেভিড ওয়ার্নার গড়েন সেঞ্চুরি জুটি। ১১৬ বলে গড়া তাদের ১২০ রানের জুটিটি অবশেষে ভেঙেছেন মোস্তাফিজুর রহমান।
কাটার মাস্টারের বলে মিডঅনে নাজমুল শান্তর হাতে সহজ ক্যাচ তুলে দেন ওয়ার্নার। ৬১ বলে ৬ বাউন্ডারিতে অসি ওপেনার করেন ৫৩ রান।
ওই পর্যন্তই। তৃতীয় উইকেটে ১৩৫ বলে ১৭৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ম্যাচ বের করেই মাঠ ছেড়েছেন মিচেল মার্শ আর স্টিভেন স্মিথ। ১৩২ বলে ১৭ চার আর ৯ ছক্কায় ১৭৭ রানে অপরাজিত থাকেন মার্শ। এটি তার ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস। ৬৪ বলে অপরাজিত ৬৩ করেন স্মিথ।
এআর







































