• ঢাকা
  • বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

ইরাকের জালে এক হালি নরওয়ের, জোড়া গোল হালান্ডের


ক্রীড়া ডেস্ক জুন ১৭, ২০২৬, ০৬:২৪ এএম
ইরাকের জালে এক হালি নরওয়ের, জোড়া গোল হালান্ডের

ফক্সবরো স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘আই’-এর ম্যাচে ইরাককে ৪-১ গোলে হারিয়ে দারুণ সূচনা করেছে নরওয়ে। ম্যাচের নায়ক আবারও দলের সবচেয়ে বড় তারকা আর্লিং হালান্ড, যার জোড়া গোল এবং ৭৬ মিনিটে লিও স্কিরি অস্টিগার্ডের তৃতীয় গোল মিলিয়ে জয় নিশ্চিত করে ইউরোপের দলটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে থাকে নরওয়ে। প্রতিপক্ষ ইরাককে চাপে রেখে দ্রুত গোলের সুযোগ তৈরি করে তারা। সেই চাপের ফল আসে ম্যাচের প্রথম দিকেই। বাঁ প্রান্ত দিয়ে উঠে আসা ডেভিড মোলার উলফের নিখুঁত ক্রস পেয়ে কাছ থেকে বল জালে পাঠান হালান্ড। বিশ্বকাপ মঞ্চে নিজের প্রথম ম্যাচেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন এই ম্যানচেস্টার সিটি স্ট্রাইকার।

তবে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়নি ইরাক। বরং ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে আক্রমণে ফেরে তারা। ৩৯ মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে আসা এক ক্রসে দারুণ হেডে গোল করে সমতা ফেরান আইমেন হুসেইন। ফলে প্রথমার্ধে ম্যাচে তৈরি হয় সমান তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

কিন্তু ইরাকের সেই আনন্দ স্থায়ী হয়নি বেশি সময়। মাত্র চার মিনিট পরই আবারও এগিয়ে যায় নরওয়ে। প্রতিপক্ষ রক্ষণভাগের ভুলে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে গোলরক্ষক জালাল হাসানের বিপদে পড়ার সুযোগ নেন হালান্ড। বল তার পায়ে লেগে জালে জড়িয়ে গেলে নিজের দ্বিতীয় গোল পূর্ণ করেন তিনি। প্রথমার্ধ শেষ হয় নরওয়ের ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে।

দ্বিতীয়ার্ধে ইরাক ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও নরওয়ের সংগঠিত রক্ষণ ও মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণে বারবার বাধার মুখে পড়ে তারা। মাঝমাঠে অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের দক্ষ পরিচালনায় আক্রমণে ধার বাড়াতে থাকে নরওয়ে।

শেষ পর্যন্ত ৭৬ মিনিটে ব্যবধান বাড়িয়ে ম্যাচ প্রায় নিশ্চিত করে ফেলে তারা। সেট-পিস থেকে পাওয়া সুযোগে গোল করেন লিও স্কিরি অস্টিগার্ড, যা নরওয়ের জয়কে আরও নিশ্চিত করে দেয়।

পুরো ম্যাচে আক্রমণ, গতি এবং পরিকল্পনার দিক থেকে এগিয়ে ছিল নরওয়ে। হালান্ডের কার্যকারিতা, ওডেগার্ডের নেতৃত্ব আর রক্ষণভাগের দৃঢ়তাসব মিলিয়ে বিশ্বকাপের শুরুতেই শক্ত বার্তা দিয়েছে দলটি। অন্যদিকে ইরাক পিছিয়ে পড়েও লড়াই চালিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত নরওয়ের শক্তির সামনে টিকে থাকতে পারেনি।

এম

Link copied!