• ঢাকা
  • শনিবার, ১৫ জুন, ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১

যশোরে পিবিআই‍‍`র এসপি পরিচয়ে চাঁদা দাবি, নারীসহ আটক ২


যশোর প্রতিনিধি সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৩, ১২:২৫ পিএম
যশোরে পিবিআই‍‍`র এসপি পরিচয়ে চাঁদা দাবি, নারীসহ আটক ২

যশোর: যশোর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর এসপি রেশমা শারমিনের পরিচয় দিয়ে একজন উপপরিদর্শকের নাম বলে যশোরের শার্শা এলাকার ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলামের কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে দুইজনকে আটক করেছে পিবিআই সদস্যরা। 

আটক দুইজন হলো, মাদারীপুর সদর উপজেলার মৈশের চর এলাকার এজাজুল হকের মেয়ে খাদিজা (৩৮) এবং সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে আহসান হাবীব (৩৫)।

পিবিআই জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার মেম্বার শরিফুল তার শার্শার রাড়িপুকুর গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। সকাল ৮টার দিকে খাদিজা তার মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে শরিফুলকে ফোন দেয়। তাকে বলে, ‘আমি যশোর পিবিআই এর এসপি রেশমা শারমিন বলছি। এখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে। যশোর জেলার শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন যা করছে তা কি ঠিক করছে? তার চাইতে টিংকু চেয়ারম্যান ভালো ছিলো না? আগামীতে আপনাকে চেয়ারম্যানের নোমিনেশনের ব্যবস্থা করে দেবো। আপনার প্রতিপক্ষের কিছু লোকের নাম দেন।’ তখন শরিফুল ইসলাম কিছু নাম দেন। এরপর বলা হয় “আপনি আমার সাব ইন্সপেক্টর রবিউলের সাথে কথা বলেন” বলে অপর আসামি আহসান হাবীবের কাছে দেয়। তখন রবিউল ইসলাম পরিচায়দানকারী আহসান হাবিব বলেন, ‘আমার এসপি স্যার এই বিষয়ে ঢাকায় যাবে।’ এই কারণে তার কাছে ২ লাখ টাকা দিতে বলে। তিনি বিষয়টি পিবিআইকে জানানোর পর ভুয়া বলে প্রমান পান এবং শার্শা থানায় একটি মামলা করেন।  

পরে পিবিআই তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে খোঁজ খবর নেয় এবং জানতে পারেন খাদিজা নিজেকে পিবিআই যশোরের এসপি রেশমা শারমিনের পরিচয় দিয়ে ফোন দিয়েছেন। আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে মানুষের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রতারনা করে আসছেন। খাদিজা মূলত মাদারীপুরের হায়দার কাজী জুট মিলে চাকরি করে। আর অপর আসামি আহসান হাবীবের পেশা প্রতারনা করা। গত শনিবার বিকেলে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়। এবং বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

পিবিআই এর পুলিশ পরিদর্শক আজিজুল হক জানিয়েছেন, এরা মুলত বিভিন্ন লোকজনের কাছে ভুয়া পরিচয় দিয়ে নানাভাবে প্রতারনা করে আসছে। আহসান হাবীর একজন চিহ্নিত প্রতারক। তার বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা থানায় ১০টি এবং ফরিদপুর কোতয়ালি থানায় একটি মোট ১১টি মামলা আছে।

সোনালীনিউজ/বি/এসআই

Wordbridge School
Link copied!