ছবি: প্রতিনিধি
ঝিনাইদহে বাসে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে রোববার সকালে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন পরিবহন শ্রমিকরা। শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে ঝিনাইদহ-ঢাকা, ঝিনাইদহ-খুলনা ও ঝিনাইদহ-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। পাঁচ ঘণ্টা চলা এই আন্দোলনে যাত্রীদের ভোগান্তি হয়। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
পুলিশ ও পরিবহন শ্রমিকরা জানান, শনিবার রাতে তাজ ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল নিতে গিয়ে পাম্প কর্মীদের হামলায় এক যুবক নিহত হন। এ ঘটনার জেরে উত্তেজিত জনতা তাজ ফিলিং স্টেশনের অপর পাম্পে ভাঙচুর করে। এছাড়া রাত সাড়ে ৩টার দিকে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি বাসে অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বাসের মালিক জাহাঙ্গীর হোসেন।
রোববার সকাল থেকে মহাসড়ক অবরোধের ফলে ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, যশোর, বরিশাল ও ফরিদপুরগামী যানবাহন আটকা পড়ে। পরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এবিএম খালিদ হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেল্লাল হোসেন, সদর থানার ওসি সামসুল আরেফিনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা অবরোধ প্রত্যাহার করেন। পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি রোকনুজ্জামান রানু বলেন, বাসে অগ্নিসংযোগে পরিবহন মালিক বা শ্রমিকদের কোনো সম্পর্ক নেই, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে কঠোর আন্দোলন করা হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেল্লাল হোসেন জানান, অবরোধ শেষে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে এবং বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসএইচ







































