জুলাই অভ্যাত্থানের পর অর্থাৎ ৫ আগস্টের পর থেকে কাঁচা বাজার ও লেগুনা গাড়ি থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে ঢাকা কলেজের চারজন শিক্ষার্থীকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।
অভিযুক্তরা হলেন- ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুর আমিনের ঘনিষ্ঠ সহচর মাসুদ রানা, যিনি ২০২২-২৩ সেশনের মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী, নির্দেশদাতা শাফায়েত আলী রুদ্র, ঢাকা কলেজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের বায়জিদ, আবির।
জানা গেছে, ইডেন কলেজের সামনের এলাকায় ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদাবাজি করতে আসেন তারা। ব্যবসায়ীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে একবার তাদের ধরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়ে। এরপর সোমবার অভিযোগকারী ব্যবসায়ীদের মারধর করে এবং চাঁদা চায়। এ সময় ব্যবসায়ীরা মিলে প্রতিবাদ করে। তাদের গণধোলাই দেওয়ার আশঙ্কার সৃষ্টি হলে সেনাবাহিনী গিয়ে সেখান থেকে তাদের আটক করে।
ভুক্তভোগী এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘আবির ও মাসুদসহ কয়েকজন গতকাল আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তরকারি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা নিতে আসে। বিষয়টি জানতে পেরে আমি তাদের জিজ্ঞেস করি, ‘ভাই, আপনাদের সমস্যা কী?’ জবাবে তারা বলেন, ‘আমরা নিউমার্কেট ও আজিমপুর এলাকা নিয়ন্ত্রণ করি, এটাও নিয়ন্ত্রণ করবো।’
তিনি বলেন, ‘আবার তারা ইডেন কলেজের সামনে এসে আমার কাছ থেকে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে সাত-আটজন মিলে আমাকে গণপিটুনি দেয়। মারধরের সময় পানি চাইলে তারা বলে, ‘তোকে পানি দেব না, প্রস্রাব দেব তুই আগে টাকা দে।’
ভুক্তভোগী আরও বলেন, ‘ঘটনার সময় শাফায়েত আলী রুদ্র দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছিল। পরে মুরাদ নামে একজন এসে তাদের ছাড়ানোর চেষ্টা করে। প্রথমে অভিযুক্তরা নিজেদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র পরিচয় দিয়েছিল, পরে আর কোনো পরিচয় দেয়নি। তারা ঢাকা কলেজে রাজনীতি করে বলে জানা গেছে।’
এ বিষয়ে লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল খান বলেন, ‘সেনাবাহিনী চারজনকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করে। তারা সবাই ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী।
এম







































