ফাইল ছবি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-কোষাধ্যক্ষ, জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিজিএমইএর সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু। দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী তাঁর ও তাঁর পরিবারের ঘোষিত মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি টাকা।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, মাহমুদ হাসান খান বাবুর স্থায়ী ঠিকানা চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া এবং বর্তমান ঠিকানা ঢাকার গুলশান-২ এলাকার রোড নম্বর ৪৭। তাঁর পিতার নাম সোলেমান খান, মাতার নাম মাহমুদা খান এবং স্ত্রীর নাম নার্গিস আক্তার। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক। তাঁর জন্ম ১৯৬৬ সালের ৩১ অক্টোবর। শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক সম্মান।
২০২৫–২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্নে মাহমুদ হাসান খান বাবুর বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৪ কোটি ৮৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬২৬ টাকা। তাঁর ঘোষিত মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৩ কোটি ২০ লাখ ২৩ হাজার ৪৩৩ টাকা। চলতি বছরে তিনি আয়কর পরিশোধ করেছেন ৯৪ লাখ ৪০ হাজার ৬৭৩ টাকা।
হলফনামায় তাঁর স্ত্রী নার্গিস আক্তারের বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৩৯ লাখ ৩৭ হাজার ৯৪৩ টাকা। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১৬ কোটি ৮৭ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৫ টাকা এবং আয়কর পরিশোধের পরিমাণ ৩ লাখ ৫২ হাজার ৮৮৯ টাকা। এ ছাড়া তাঁদের সন্তান ফারদিন মাহমুদ খানের নামে বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৮ লাখ ৮৭ হাজার ৭৩২ টাকা। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ৩৩ লাখ ৯৬ হাজার ৩৫৬ টাকা এবং আয়কর দেওয়া হয়েছে ৫০ হাজার ৬৬০ টাকা।
হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মাহমুদ হাসান খান বাবুর কাছে নগদ অর্থ রয়েছে ৪ লাখ ১ হাজার ৬৪৫ টাকা। তাঁর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ১১ কোটি ৬২ লাখ ৩১ হাজার ৩২৩ টাকা। তাঁর স্ত্রীর নামে রয়েছে ৪৫ লাখ ৫৭ হাজার ৯৬২ টাকার সম্পদ। পাশাপাশি স্ত্রীর নামে ৫০ ভরি স্বর্ণ গচ্ছিত থাকার তথ্যও হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।
দাখিল করা তথ্য অনুযায়ী, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও আসবাবপত্রের মূল্য দেখানো হয়েছে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। হলফনামায় তাঁর পেশা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে সম্মানী আয়, ভাড়া থেকে আয় এবং ব্যবসা।
হলফনামার তথ্যে আরও জানা গেছে, মাহমুদ হাসান খান বাবুর বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে।
এসএইচ







































