• ঢাকা
  • বুধবার, ০৭ জানুয়ারি, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

পে-স্কেলের ডেডলাইন ও বৈঠক নিয়ে যা জানা গেল


নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৭:৫২ পিএম
পে-স্কেলের ডেডলাইন ও বৈঠক নিয়ে যা জানা গেল

ফাইল ছবি

ঢাকা: সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে স্থগিত হওয়া জাতীয় বেতন কমিশনের পূর্ণ কমিশনের সভার নতুন তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সভা কবে অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো তথ্যও দেওয়া হয়নি। এতে করে নবম জাতীয় পে-স্কেলের সুপারিশ জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমা আদৌ রক্ষা করা যাবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পে-কমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, স্থগিত হওয়া পূর্ণ কমিশনের সভার তারিখ এখনো ঠিক করা হয়নি। চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে অথবা আগামী সপ্তাহের শুরুতে সভা হতে পারে।

চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে সভা অনুষ্ঠিত হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুপারিশ জমা দেওয়া সম্ভব হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি কঠিন হয়ে যাবে। কারণ কমিশনের অন্তত আরও দুটি পূর্ণাঙ্গ সভা প্রয়োজন। অমীমাংসিত বিষয়গুলোতে সদস্যরা একমত হতে পারলেই কেবল সুপারিশ চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে।

এদিকে নবম জাতীয় পে-স্কেলের সুপারিশ জমা দেওয়ার সম্ভাব্য সময় হিসেবে মধ্য জানুয়ারিকে লক্ষ্য ধরে এগোচ্ছে পে-কমিশন। কমিশন সূত্র জানায়, আগামী মধ্য জানুয়ারির মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দেওয়ার একটি বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

পে-কমিশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, নবম পে-স্কেলে গ্রেড সংখ্যা, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন নির্ধারণসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এসব বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে আরও অন্তত দুটি পূর্ণ কমিশনের সভা আয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে। সব বিষয় নিষ্পত্তি হওয়ার পরই কমিশন চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাতীয় বেতন কমিশনের এক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য জানান, মধ্য জানুয়ারির মধ্যে সুপারিশ জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। প্রয়োজনে এর আগেও প্রতিবেদন জমা দেওয়া হতে পারে। তবে আরেকটি পূর্ণ কমিশনের সভা অনুষ্ঠিত হলে সম্ভাব্য সময়সূচি আরও স্পষ্ট হবে।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামো নিয়ে তিন ধরনের ভাবনা চলছে। বর্তমানে ২০টি গ্রেড বিদ্যমান। কমিশনের একটি অংশ বর্তমান গ্রেড সংখ্যা বহাল রেখে যৌক্তিক হারে বেতন ও ভাতা বৃদ্ধির পক্ষে মত দিচ্ছে। তবে অন্য একটি অংশ গ্রেড সংখ্যা কমিয়ে ১৬টিতে নামানোর প্রস্তাব করছে।

এ ছাড়া কমিশনের আরেকটি অংশ নবম পে-স্কেলে গ্রেড সংখ্যা ১৪টিতে নামিয়ে আনার পক্ষে মত দিয়েছে। তাদের যুক্তি, গ্রেড সংখ্যা বেশি থাকলে বেতন বৈষম্য বাড়ে, তাই কম গ্রেডে একটি ভারসাম্যপূর্ণ কাঠামো তৈরি করা সম্ভব।

নবম পে-স্কেল নিয়ে বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠন থেকে প্রাপ্ত মতামত জাতীয় বেতন কমিশন গভীরভাবে বিশ্লেষণ করছে। তবে এখনো সম্পূর্ণ প্রতিবেদন লেখার কাজ শুরু করা যায়নি বলে জানিয়েছে কমিশন।

বাস্তবসম্মত ও দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর একটি সুপারিশ তৈরির লক্ষ্যে প্রতিটি দপ্তর ও সংগঠনের প্রস্তাব বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে নথিভুক্ত করা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে।

এসএইচ 

Wordbridge School
Link copied!