• ঢাকা
  • রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৭

শিক্ষা ব্যাংক ও হাসপাতাল করতে শিক্ষকদের যে পরামর্শ দিলেন প্রতিমন্ত্রী


নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২১, ০৭:২৮ পিএম
শিক্ষা ব্যাংক ও হাসপাতাল করতে শিক্ষকদের যে পরামর্শ দিলেন প্রতিমন্ত্রী

ফাইল ছবি

ঢাকা : শিক্ষকরা জাতি গড়ার কারিগর। আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে আগামী প্রজন্ম। শিক্ষকরা উন্নত বাংলা গড়ার হাতিয়ার। আপনাদের সঙ্গে নিয়ে আগামী বিশ্ব মোকাবিলা করতে পারবো ইনশাল্লাহ। বলেছেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

আরো পড়ুন : শিক্ষা আইন ২০২০: শিক্ষকদের জন্য আসছে বড় দু:সংবাদ

মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর-১৩ নম্বর প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত চিকিৎসা সহযোগিতা ও উচ্চশিক্ষা বৃত্তির চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তবে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্ট চেক বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

আরো পড়ুন : ৩ মাসের বেতন কাটা গেলো যেসব শিক্ষকদের

তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালে বিভীষিকাময় দিনগুলোতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উপলব্ধি করেছিলেন, স্বাধীন দেশ, স্বাধীন জাতিকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তৈরি করতে হবে। তা না হলে স্বপ্নের স্বাধীনতা ও স্বপ্নের বাংলাদেশ কিছুই ধরে রাখা সম্ভব হবে না। তখন তিনি প্রায় দেড় লাখ শিক্ষককে জাতীয়করণ করেছিলেন। শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম শিক্ষকদের জাতীয় পর্যায়ে মূল্যায়ন করেছেন।

মো. জাকির হোসেন বিগত সরকারের আমলের শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর পরে আর কোনো সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে তেমনভাবে জাতীয়করণ করেনি। বিগত সরকারগুলোর আমলে মাত্র এক হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্নভাবে সরকারি করা হয়েছে। ২০১৩ সালে শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় এসে আরও ২৬ হাজার ১৯৩টি বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ করেন।

এ সময় শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা যদি সামান্য কিছু পরিমাণ টাকা একসঙ্গে তহবিল করতে পারে, তাহলে সেটা হবে অনেক বড় একটি অ্যামাউন্ট। প্রাথমিক শিক্ষকরা চাইলে সবাই একসঙ্গে মিলিতভাবে বড় কিছু করতে পারবে। শিক্ষকরা চাইলে একটি ব্যাংক ও উন্নত মানের হাসপাতাল তৈরি করতে পারবে। প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক দেশে প্রায় ৫ লাখ। বাংলাদেশের কোনো সরকারি ডিপার্টমেন্টে ৫ লাখ সদস্য নাই। প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার বিশাল এক পরিবার। আমরা চাইলে পুলিশ ও আনসারের মত নিজেদের একটি ব্যাংক তৈরি করতে পারি।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলমের সভাপতিত্ব করেন।

সোনালীনিউজ/এমএএইচ