ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও চলছে জ্বালানি তেলের সংকট। এই সংকট মোকাবেলা করতে সরকার চাকরিজীবীদের জন্য সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। সেই সঙ্গে শিক্ষা খাতে আবারও আংশিক অনলাইন ক্লাশ চালুরও চিন্তাভাবনা করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি ব্যবহারে চাপ কমাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সপ্তাহের একটি অংশ অনলাইন ক্লাশ নেওয়ার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনায় রয়েছে। এর লক্ষ্য বিদ্যুৎ খরচ কমানো এবং সামগ্রিক জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় চাপ হ্রাস করা।
আরও জানা যায়, এই পদক্ষেপটি বৃহত্তর একটি সাশ্রয় পরিকল্পনার অংশ। এতে সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, কর্মকর্তাদের জন্য ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ চালু করা এবং অফিস সময়সূচি পরিবর্তনের মতো প্রস্তাবও রয়েছে।
সরকারি সংস্থাগুলোকে ইতোমধ্যে নিজস্ব জ্বালানি সাশ্রয় পরিকল্পনা তৈরি করতে বলা হয়েছে। এসব প্রস্তাব আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে এবং সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
বর্তমানে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে। এর প্রেক্ষাপটে সরকার আপাতত তিন মাসের একটি স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে। পরিস্থিতি অবনতির দিকে গেলে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী কৌশল গ্রহণ করা হতে পারে।
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য, আমদানিতে বাড়তি ব্যয় এবং ডলার সংকট—সব মিলিয়ে সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে। এ অবস্থায় অন্তত আটটি সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এসব প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে সাপ্তাহিক ছুটিতে অতিরিক্ত একদিন যোগ করা, সপ্তাহে দুই দিন ঘরে বসে কাজ করার সুযোগ এবং অফিস সময় এগিয়ে আনা বা কাজের মোট সময় কমানো। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিক অনলাইন ক্লাশ চালুর মাধ্যমে বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।
তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি। মন্ত্রিসভা বৈঠকের পরই নির্ধারিত হবে কোন পদক্ষেপগুলো কার্যকর করা হবে।
পিএস







































