আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে দূরপাল্লার বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন পরিবহন কোম্পানি অনলাইন ও কাউন্টার—দুই মাধ্যমেই টিকিট বিক্রি কার্যক্রম চালু করেছে।
বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২১ মে থেকে ঈদের আগ পর্যন্ত যাত্রার টিকিট এখন থেকেই সংগ্রহ করতে পারছেন যাত্রীরা। ফলে ঘরে বসেই মোবাইল অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে সহজে টিকিট কাটার সুযোগ পাচ্ছেন ভ্রমণকারীরা।
যেভাবে অনলাইনে কাটবেন বাসের টিকিট
বর্তমানে বিভিন্ন বাস কোম্পানি ও অনলাইন টিকিটিং প্ল্যাটফর্মে বাসের টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। এজন্য প্রথমে সংশ্লিষ্ট অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে অথবা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজন হবে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও একটি সচল মোবাইল নম্বর।
এরপর যাত্রার স্থান, গন্তব্য ও ভ্রমণের তারিখ নির্বাচন করে সার্চ অপশনে ক্লিক করলে নির্ধারিত রুটের বাস, ছাড়ার সময় ও ভাড়ার তালিকা দেখা যাবে। পছন্দের বাস নির্বাচন করার পর আসন বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
সাধারণত বুক হয়ে যাওয়া আসন লাল বা কালো রঙে এবং খালি আসন সবুজ বা সাদা রঙে দেখানো হয়। আসন নির্বাচন শেষে যাত্রীর প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে।
আসন নিশ্চিত করার পর মোবাইল ব্যাংকিং, ই-ব্যাংকিং বা কার্ডের মাধ্যমে ভাড়া পরিশোধ করা যাবে। তবে আসন নির্বাচন করার ৩০ মিনিটের মধ্যেই পেমেন্ট সম্পন্ন করতে হবে, অন্যথায় বুকিং বাতিল হয়ে যেতে পারে।
পেমেন্ট সফল হলে সঙ্গে সঙ্গে ই-টিকিট ডাউনলোডের সুযোগ মিলবে। যাত্রার সময় টিকিটের প্রিন্ট কপি অথবা মোবাইলে সংরক্ষিত কপি সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিয়েছে পরিবহন কর্তৃপক্ষ।
শ্যামলী এন আর ট্রাভেলস–এর জেনারেল ম্যানেজার জীবন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, সকাল থেকেই তাদের অনলাইন ও কাউন্টার—উভয় মাধ্যমে টিকিট বিক্রি চলছে।
তার ভাষ্য, সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে ২৪ মে রাত, ২৫ মে সারাদিন এবং ২৬ মে সকালের যাত্রার টিকিটে। কারণ সরকারি ছুটি ২৫ মে থেকে শুরু হওয়ায় ওই সময় বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। সকাল ১০টার মধ্যেই বেশ কিছু রুটের অধিকাংশ অগ্রিম টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া যাবে না। একই ভাড়া অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও কার্যকর থাকবে এবং প্রতিটি কাউন্টারে অনুমোদিত ভাড়ার তালিকা টাঙানো বাধ্যতামূলক করা হবে।
এম







































