ছবি : প্রতিনিধি
বরিশাল: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে বরিশাল-৫ (সদর) আসনে। সকাল থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মাঠে নেমে পড়েন। ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে কেউ দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, কেউ আবার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শুরু করছেন নির্বাচনী কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়েবে আমির ও বরিশাল-৫ এবং ৬ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম (শায়খে চরমোনাই) দুপুরে নগরীর আগরপুর রোড থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর প্রচারণা শুরু করেন। এরপর তিনি সদর রোড থেকে লঞ্চঘাট পর্যন্ত গণসংযোগ করেন। পথেঘাটে সাধারণ মানুষের উষ্ণ সাড়া ও ভালোবাসা লক্ষ্য করা যায়।
গণসংযোগকালে তিনি বলেন, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে হলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়া প্রয়োজন। তিনি সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং দেশের সার্বিক পরিবর্তনের জন্য ইসলামী আন্দোলনের পক্ষে সমর্থন চান।
প্রচারণার শুরুতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মুফতী ফয়জুল করীম বলেন, ইসলামী মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠাই তাঁর রাজনীতির মূল লক্ষ্য। দুর্নীতি, দুঃশাসন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ ও নৈতিক রাজনৈতিক ধারার মাধ্যমে জনগণের অধিকার আদায়ের অঙ্গীকার করেন তিনি। একই সঙ্গে নতুন বন্দোবস্তে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও জানান, বরিশালকে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরীতে রূপান্তরের জন্য কাজ করবেন। শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
অন্যদিকে, সকালে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন বাসদ মনোনীত প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্তী। মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা ও শোষণমুক্ত সমাজ গঠনই তাঁর রাজনীতির প্রধান লক্ষ্য।
এদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার দুপুরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে প্রচারণা শুরু করেন। দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বড় ধরনের শোডাউনের মাধ্যমে নির্বাচনী মাঠে শক্ত অবস্থান জানান দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
প্রচারণা চলাকালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতাকর্মী, সমর্থক এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনেক ভোটারই একটি ন্যায়ভিত্তিক, আদর্শ ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
পিএস







































