ছবি : প্রতিনিধি
ফরিদপু: ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার প্রায় ৯টি গ্রামে শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদুল ফিতর উদযাপন হয়েছে। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ উদযাপন করেন তারা।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সৌদি আরবে আনুষ্ঠানিকভাবে চাঁদের খোঁজ শুরু হয়। পরে রাতে চাঁদ দেখার খবর নিশ্চিত হওয়া যায়। এরপরই ফরিদপুরে ৯ গ্রামে ঈদের সিদ্ধান্ত হয়।
শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের সহস্রাইল, দড়ি সহস্রাইল, ভুলবাড়িয়া, বারাংকুলা, মাইটকুমড়া, গঙ্গানন্দপুর, রাখালতলী, কাটাগড় ও কলিমাঝি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ আগাম রোজা পালন শুরু করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের প্রায় ৯টি গ্রামের মানুষ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে পবিত্র রোজা পালন শুরু করেন। তাই একদিন আগেই ওই গ্রামগুলোর অধিকাংশ লোকজন ঈদ উদযাপন করে থাকেন।
কাটাগড় গ্রামের বাসিন্দা মো. মাহিদুল হক বলেন, আমরা অনেক বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখি ও ঈদ উদযাপন করে থাকি। এটা আমাদের ঐতিহ্য। বাপ-দাদার আমল থেকে আমরা আগাম রোজা ও ঈদ পালন করে আসছি।
এ বিষয়ে বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল দায়রা ঘর জামে মসজিদের ইমাম মুফতি রাকিবুদ্দিন রাকিব বলেন, শেখর ও পার্শ্ববর্তী রুপাপাত ইউনিয়নের প্রায় ৯টি গ্রামের আংশিক মানুষ দীর্ঘদিন যাবৎ সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে আগাম রোজা ও দুটি ঈদ উদযাপন করে আসছে। সে অনুযায়ী শুক্রবার আমরা ঈদ উদযাপন করেছি।
শেখর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কামাল আহমেদ বলেন, শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের কিছু বাসিন্দা সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে আগাম রোজা ও দুটি ঈদ উদযাপন করে আসছে। অন্যরা স্বাভাবিক নিয়মে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
পিএস







































