• ঢাকা
  • রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

শরীয়তপুরে ৯ বছরের কন্যা শিশুকে ধর্ষণ, অতপর...


শরীয়তপুর প্রতিনিধি জুলাই ১৮, ২০২৬, ০৭:৩১ পিএম
শরীয়তপুরে ৯ বছরের কন্যা শিশুকে ধর্ষণ, অতপর...

ছবি: প্রতিনিধি

শরীয়তপুরে নয় বছরের এক কন্যা শিশুকে ধর্ষণের পর স্থানীয়ভাবে মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে অভিযুক্তকে পালাতে সহযোগিতা করার অভিযোগ উঠেছে এলাকার কয়েকজন সালিশের বিরুদ্ধে। গত বুধবার ১৫ই জুলাই দুপুরে শরীয়তপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হুগলি এলাকায় এই অমানবিক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং বর্তমানে অভিযুক্ত যুবক পলাতক রয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার দুপুরে ওই শিশু বাড়ির টিউবওয়েলে গোসল করতে গেলে স্থানীয় ফরহাদ মোল্লার ছেলে রানা মোল্লা তার মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে। শিশুটির চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে রানাকে আটক করে এবং ভুক্তভোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঘটনার পর অভিযুক্ত রানা জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে শিশুটিকে ধর্ষণের কথা স্বীকারও করে। তবে ভুক্তভোগী পরিবার আইনি পদক্ষেপ নিতে চাইলে স্থানীয় মজিবর মোল্লা, মোখলেস মোল্লা ও লুৎফর ঢালীসহ কয়েকজন সালিশ মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে অভিযুক্তকে ছেড়ে দেন।

ঘটনার দুদিন পর কোনো সুরাহা না পেয়ে গত শুক্রবার সকালে ভুক্তভোগীর মা পালং মডেল থানায় মামলা করতে যান। তবে থানায় তাদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষমাণ রাখা এবং পুলিশ প্রথমে অভিযোগ নিতে চায়নি বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীর মা। তিনি জানান, দীর্ঘ টানাপোড়েনের একপর্যায়ে তার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে পুলিশ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে শিশুটির চিকিৎসা চলছে এবং তার মা এই জঘন্য অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।

অভিযুক্ত সালিশদের মধ্যে মজিবর মোল্লা ও লুৎফর ঢালী মীমাংসার বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, এটি প্রশাসনের কাজ বলে তারা পরিবারটিকে জানিয়েছিলেন। অন্যদিকে থানা হেফাজতে দীর্ঘ সময় আটকে রাখার অভিযোগ প্রসঙ্গে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ আলম বলেন, ছুটির দিন হওয়ায় কম্পিউটার অপারেটর না থাকায় মামলা গ্রহণে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তবে মামলা দায়েরের পর পরই ভুক্তভোগী শিশুর ডাক্তারি পরীক্ষা ও আদালতে জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে এবং পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।

এসএইচ 

Link copied!