• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

ডিএসইকে কমপ্লায়েন্স অডিটর নিয়োগের নির্দেশ বিএসইসির


আবদুল হাকিম এপ্রিল ৩, ২০২২, ১০:০৬ এএম
ডিএসইকে কমপ্লায়েন্স অডিটর নিয়োগের নির্দেশ বিএসইসির

ফাইল ছবি

ঢাকা : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) কার্যক্রম নিরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। 

ডিএসইকে তিনটি নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রস্তাবিত করে এর মধ্যে থেকে বাছাই করে নিয়োগ দিতে নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি। 

চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফার্মগুলো হলো—হুদা ভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোং, একনাবিন এবং এম জে আবেদিন অ্যান্ড কোং। 

গত মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।

নিরীক্ষককে চারটি বিষয় লক্ষ্য রেখে নিয়োগের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে কমিশনের কাছে একটি প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হলো।

ডিএসই ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইন অনুযায়ী কমপ্লায়েন্স অডিট যথাযথভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে নিরীক্ষক নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, (ক) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কমপ্লায়েন্স অডিট পরিচালনার জন্য প্রতিযোগিতামূলক বিডিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রস্তাবিত চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফার্মগুলোর মধ্য থেকে একটিকে নির্বাচন করবে।

(খ) এক্সচেঞ্জ ডিমিউচুয়ালাইজেশন অ্যাক্ট, ২০১৩ এর উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে মালিকানা বাড়ানো এবং ট্রেডিং অধিকারের বিষয়ে পরীক্ষা করতে হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ডিমিউচুয়ালাইজেশন স্কিম, ২০১৩ এর ক্লজ ৯.২.৩ অনুযায়ী ডিমিউচুয়ালাইজেশন উদ্দেশ্যগুলো অর্জন এবং তা অর্জনের জন্য ডিএসই থেকে নেওয়া উদ্যোগের পাশাপাশি তাদের অর্জনের বিষয়ে পরীক্ষা করতে হবে। 

(গ) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (বোর্ড এবং প্রশাসন) রেগুলেশন, ২০১৩ এবং এক্সচেঞ্জ ডিমিউচুয়ালাইজেশন অ্যাক্ট, ২০১৩ এর বিধান অনুসারে ডিএসইর চলমান কার্যাবলী ও আচরণবিধি, নৈতিকতা এবং অন্যান্য বিষয়গুলোর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ আছে কি না, তা পরীক্ষা করতে হবে। 

(ঘ) সর্বশেষ প্রতিবেদন চূড়ান্ত করার আগে নিরীক্ষককে বিএসইসি এবং ডিএসইর সঙ্গে একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠক করতে হবে, যাতে অডিট ইস্যু ও তাদের পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করার আগে তা সমাধান করা যায়।

প্রসঙ্গত, পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ২০১৩ সালে মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা পৃথক্করণের মাধ্যমে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ডিমিউচুয়ালাইজেশন করা হয়। ফলে এক্সচেঞ্জের পর্ষদে শেয়ারধারী পরিচালকদের প্রাধান্য লোপ পায়। এর পরিবর্তে স্বতন্ত্র পরিচালকরা এক্সচেঞ্জের নেতৃত্বে আসে। কিন্তু এ পরিবর্তনও অনেকটাই আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।কারণ ডিমিউচুয়ালাইজেশনের পরও এখনো পর্যন্ত এক্সচেঞ্জের স্বতন্ত্র পরিচালক এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এর কার্যক্রমে তাদের স্বাতন্ত্র্য ও দক্ষতার স্বাক্ষর রাখতে পারেননি। ফলে এক্সচেঞ্জের কার্যক্রম পরিচালনায় অনেক ক্ষেত্রেই শেয়ারধারী পরিচালকদের দ্বারস্থ হতে হয়।

সোনালীনিউজ/এএইচ

Link copied!