ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা: বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে এবং পণ্যের হালাল সনদ অর্জনের দক্ষতা লাভের ক্ষেত্রে এসএমই ফাউন্ডেশনের সাথে কাজ করবে ইন্দোনেশিয়া।
বুধবার (১০ জুন) এসএমই ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকে এই আগ্রহের কথা জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিস লিস্তয়ওয়াতি।
এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন এবং শিল্পসচিব মো. ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. নূরুজ্জামান এনডিসি ও মো. ফিরোজ উদ্দিন, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজিম হাসান সাত্তার ও ফারজানা খান, মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন ও মো. আব্দুস সালাম সরদার, ইন্দেনেশিয়ার ইসলামী অর্থনীতি ও ফাইন্যান্সের শরীয়াহ ব্যবসা ও উদ্যোগ বিষয়ক জাতীয় কমিটি মহাপরিচালক পুতু রাহওইদিয়াসা এবং ইন্দোনেশিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সভাপতি মোহাম্মদ রিয়াদ আলী।
সভায় ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তারা জানান, আগামী মাসে দেশটিতে প্রথমবারের মতো হালাল পণ্যের আন্তর্জাতিক মেলা আয়োজন করতে যাচ্ছে। সেই মেলায় বাংলাদেশী উদ্যোক্তাগণ হালাল নিজেদের তৈরি পণ্য ও সেবা নিয়ে মেলায় অংশগ্রহণ করবেন বলে আশাবাদী ইন্দোনেশিয়া।
এছাড়া দেশটির হালাল শিল্পোন্নয়নের অভিজ্ঞতাও কাজে লাগাতে পারে বাংলাদেশ। এই লক্ষ্যে বাংলাদেশের এসএমই ফাউন্ডেশন, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং বিএসটিআই-এর সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত।
উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এসএমই খাতের অবদান প্রায় ৩০% শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো’র ২০২৪ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা বলছে, দেশের প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রায় ৯৯% কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই)। শিল্প খাতের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৫% সিএমএসএমই খাতে। এই খাতে প্রায় ৩ কোটিরও বেশি জনবল কর্মরত আছে।
অধিক জনসংখ্যা এবং সীমিত সম্পদের দেশ হিসেবে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এসএমই খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং পরিবেশগত সুরক্ষার মাধ্যমে এসএমই খাতের উন্নয়নের লক্ষ্যে এসএমই ফাউন্ডেশন সরকারের জাতীয় শিল্পনীতি, এসএমই নীতিমালা এবং এসডিজি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থা এসএমই ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কর্মসূচির সুবিধাভোগী প্রায় ২১ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, যাদের ৬০%-ই নারী-উদ্যোক্তা।
এএইচ/পিএস







































