ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা: গত সপ্তাহে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) এক হামলার পর নেতানিয়াহুর নিহত হওয়ার খবর প্রকাশ করে ইরানি সংবাদমাধ্যম। তবে এই দাবিকে ভুয়া বলে উড়িয়ে দেয় ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম। তবে ইরানের আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, নেতানিয়াহু যদি জীবিত থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে তাদের (হত্যা) প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।
রোববার আইআরজিসিরি জনসংযোগ দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। খবর ওয়ানা নিউজের।
বিবৃতি অনুযায়ী, ইরানের শিল্প শহরগুলোতে শ্রমিকদের মৃত্যুর ‘প্রতিশোধের প্রথম ধাপ’ হিসেবে তারা নতুন করে ‘আমেরিকান-ইসরায়েলি সন্ত্রাসী অপরাধীদের’ লক্ষ্যবস্তু করেছে। আইআরজিসি জানায়, রোববার তাদের বাহিনী ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’-এর ৫২তম ধাপের অংশ হিসেবে একটি সম্মিলিত অভিযান চালিয়েছে, যেখানে ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থান ও এই অঞ্চলের তিনটি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে দাবি করা হয়, আইআরজিসির ছোড়া ভারী ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তেল আবিবের শিল্পাঞ্চলগুলোতে আঘাত হেনেছে। তারা আরো বলেছে, অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেনের শব্দ ও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের ক্রমবর্ধমান হতাহতের খবর এই হামলার প্রভাবেরই প্রতিফলন।
আইআরজিসি আরও জানায়, মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন অবস্থানকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে এরবিলের আল-হারির বিমান ঘাঁটি, কুয়েতের আলি আল সালেম বিমান ঘাঁটি এবং ক্যাম্প আরিফজান। এসব হামলায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, নেতানিয়াহুর ভাগ্য এখনও অস্পষ্ট। তাদের ধারণা, তিনি নিহত হয়েছেন অথবা তার পরিবারসহ ‘অধিকৃত অঞ্চল’ থেকে পালিয়েছেন। আইআরজিসির মতে, এই অনিশ্চয়তা ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের মধ্যে সংকট ও অস্থিরতা প্রদর্শন করে।
বিবৃতিতে সবশেষে আইআরজিসি বলেছে, “নেতানিয়াহু যদি এখনও বেঁচে থাকেন, তাহলে ‘এই শিশু-হত্যাকারী অপরাধীকে ধাওয়া করা এবং হত্যা করার প্রক্রিয়া দৃঢ়তার সঙ্গে অব্যাহত থাকবে।”
পিএস







































