• ঢাকা
  • বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

এবারের বাজেট চানাচুরের মতো, খেলেই পেট খারাপ: আমির হামজা


নিজস্ব প্রতিবেদক জুন ১৭, ২০২৬, ০৭:৫২ পিএম
এবারের বাজেট চানাচুরের মতো, খেলেই পেট খারাপ: আমির হামজা

ফাইল ছবি

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘লুটপাটের বাজেট’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তীব্র সমালোচনা করেছেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা। তিনি মন্তব্য করেছেন, এই বাজেট অনেকটা চানাচুর মার্কার মতো; এটি শুনতে ভালো লাগলেও খেলে মানুষের পেট খারাপ হয়।

বুধবার (১৭ জুন) ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির হামজা বলেন, জাতীয় বাজেট জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার মাধ্যম হওয়া উচিত। রাষ্ট্রের আয় বৃদ্ধির জন্য কর প্রশাসনকে আধুনিকায়ন করতে হবে এবং কর ফাঁকি ও অর্থপাচার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা না বাড়িয়ে নতুন নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করার জন্য তিনি সরকারের প্রতি পরামর্শ দেন। এ ছাড়া দেশের বড় সমস্যা বেকারত্ব দূর করতে শিল্পায়নে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান এই সংসদ সদস্য।

শিক্ষা ও ধর্মীয় শিক্ষা খাতের বাজেট বরাদ্দের সমালোচনা করে আমির হামজা বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার জন্য বাজেট আরও বাড়ানো দরকার। পাশাপাশি দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমদের মাদ্রাসাগুলো যুগ যুগ ধরে অবহেলিত রয়ে গেছে। তাই এবতেদায়ী মাদ্রাসা এবং প্রতিটি জেলা শহরে একটি করে ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসা জাতীয়করণের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি কৃষকদের জন্য স্বল্পমূল্যে সার, বীজ এবং শুল্কমুক্ত কৃষি সরঞ্জাম সরবরাহের জোর দাবি জানান।

রেল যোগাযোগের আধুনিকায়নের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ২০-২২ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। এই শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে নতুন রেললাইন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে শুনলেও এখনো তার কোনো কার্যকর ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। আগামী বাজেটে যেন এটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হয়।

বাজেট নিয়ে সরকারের বিভিন্ন দাবির সমালোচনা করে আমির হামজা বলেন, সরকার বলছে বাজেট নিয়ে নাকি আনন্দের বন্যা বইছে। অথচ বাজেট উপস্থাপনের পর দেশের বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ মানুষের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করতে দেখা গেছে। বিগত সময়ের মতো এবারের বাজেটের অর্থও যেন সরকারি দলের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিদেশে পাচার করতে না পারে, তার নিশ্চয়তা দাবি করেন তিনি। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, গতানুগতিক কথায় সমস্যার সমাধান হবে না, কারণ অর্থপাচার ঠেকাতে সরকারের সুনির্দিষ্ট কোনো পলিসি এখনো জনগণের সামনে স্পষ্ট নয়।

এসএইচ 

Link copied!