ছবি: প্রতিনিধি
পিরোজপুর সদর উপজেলার রায়েরকাঠী এলাকার রাজবাড়িতে তিন চোখ ও দুই মুখবিশিষ্ট একটি গরুর বাছুরের জন্ম হয়েছে। সোমবার দুপুরে ঝন্টু দাস ও নবিতা রানী দাস দম্পতির গাভীটি এ বাছুর প্রসব করে।
গাভীটি গত পাঁচ থেকে ছয় বছর ধরে লালন-পালন করছেন তাঁরা। এর আগে একই গাভী একটি সুস্থ বাছুরের জন্ম দিয়েছিল। তবে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে জন্ম নেওয়া বাছুরটির শারীরিক গঠনে ব্যতিক্রম দেখা যায়। জন্মের পর থেকেই বাছুরটি জীবিত রয়েছে এবং এখন পর্যন্ত সুস্থ আছে বলে জানিয়েছেন মালিক নবিতা রানী দাস।
বিরল আকৃতির এ বাছুরকে একনজর দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎসুক মানুষ ভিড় করছেন তাঁদের বাড়িতে। বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তরুণ কুমার শিকদার বলেন, অনেক সময় গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন কারণে ভ্রূণের স্বাভাবিক বিকাশে জৈবিক ত্রুটি দেখা দিতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রভাবও থাকতে পারে। তবে এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এ ধরনের বাছুর অনেক সময় দীর্ঘদিন বেঁচেও থাকে। প্রয়োজন হলে প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাটিকে প্রাকৃতিক জৈবিক ত্রুটির ফল বলেই মনে করছেন। বাছুরটি এখন পর্যন্ত জীবিত ও স্থিতিশীল রয়েছে।
এসএইচ







































