• ঢাকা
  • বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

বিয়ের প্রলোভনে স্বামী পরিত্যক্ত নারীকে ফাঁদে ফেলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ  


বরগুনা প্রতিনিধি ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ০১:২৯ পিএম
বিয়ের প্রলোভনে স্বামী পরিত্যক্ত নারীকে ফাঁদে ফেলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ   

প্রতীকী ছবি

বরগুনার তালতলীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক স্বামী পরিত্যক্ত নারীকে ডেকে এনে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত প্রধান ব্যক্তি পচাকোরালিয়া ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা মানিক হাওলাদারের ছেলে হিরন হাওলাদার (৪০)। এ ঘটনায় তার সহযোগীদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারী জানান, তাঁর বাড়ি সোনাকাটা ইউনিয়নের লাউপাড়া এলাকায়। স্বামী পরিত্যক্ত এই নারী মহিপুর এলাকায় মাছ বিক্রি করে কোনোভাবে জীবনযাপন করে আসছিলেন। এই দুর্বলতাকে পুঁজি করে হিরন দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখে এবং বিয়ের প্রস্তাব দিতে থাকে। বিশ্বাস অর্জনের জন্য হিরন ও তার ভাই শিমুল মুঠোফোনে ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গেও কথা বলেন। এ সময় শিমুল দাবি করেন, হিরোন অবিবাহিত এবং তার কোনো স্ত্রী বা সন্তান নেই। পরবর্তীতে এই তথ্য মিথ্যা ও প্রতারণামূলক বলে জানা যায়।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আসরের নামাজের সময় মোটরসাইকেলে করে তাঁকে মহিপুর এলাকা থেকে পচাকোরালিয়া ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। এশার আজানের সময় তাঁকে একটি ফাঁকা ঘরে রাখা হয়। আশপাশে কেউ না থাকায় পরিকল্পিতভাবে কিছুক্ষণ পর সেখানে হিরনসহ আরও তিনজন ব্যক্তি উপস্থিত হয়।

একপর্যায়ে তারা জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরে চারজন মিলে পালাক্রমে তাঁকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। অভিযুক্তদের মধ্যে তিনি শুধু হিরোনের নাম জানেন, অন্য তিনজনের পরিচয় তিনি জানাতে পারেননি।

ভুক্তভোগী আরও জানান, ফজরের আজানের সময় অভিযুক্তরা ধূমপানের উদ্দেশ্যে ঘর ছেড়ে বাইরে গেলে তিনি জীবন বাঁচাতে ফাঁকা ঘর থেকে পালিয়ে পাশের একটি স্থানে লুকিয়ে থাকেন। পরে মসজিদের মাইকে আজানের শব্দ শুনে সাহস সঞ্চয় করে মুসল্লিদের কাছে গিয়ে সাহায্য চান।

এলাকাবাসী জানান, হিরোন এর আগেও বিভিন্ন সময় নারীদের ওই এলাকায় নিয়ে আসতেন। তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে কেউ তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পেত না। তারা দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হবে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এসএইচ 

Wordbridge School
Link copied!