• ঢাকা
  • সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

শরীয়তপুরে ৩টি আসনে জামানত হারিয়েছেন ১৫ প্রার্থী


শরীয়তপুর প্রতিনিধি ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬, ০৭:০১ পিএম
শরীয়তপুরে ৩টি আসনে জামানত হারিয়েছেন ১৫ প্রার্থী

ছবি : প্রতিনিধি

শরীয়তপুর: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুরের তিনটি আসনে মোট ২১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন। এর মধ্যে প্রদত্ত ভোটের ৮ শতাংশ না পেয়ে ১৫ জন প্রার্থীরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। 

শরীয়তপুরের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। 

গত বৃহস্পতিবার(১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম তিনটি আসনের ফলাফল ঘোষণা করেন।  

শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। এরমধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে ৭৭ হাজার ৩৯৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জালালুদ্দীন আহমদ রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৬২ হাজার ৭১৭ ভোট। বাকি ছয়জন প্রার্থী প্রদত্ত ভোটের ৮ শতাংশ না পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন- বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির নূর মোহাম্মদ মিয়া (একতারা প্রতীকে ৬১৬ ভোট), গণধিকার পরিষদের ফিরোজ আহমেদ (ট্রাক প্রতীকে ৫৫১ ভোট), জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির আব্দুর রহমান (শাপলা কলি প্রতীকে ৪৭৫ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ তোফায়েল আহমেদ (হাতপাখা প্রতীকে ১০৮১৭ ভোট), স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম মোস্তফা (ঘোড়া প্রতীকে ৩৫৯ ভোট) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ নজরুল ইসলাম (মোটরসাইকেল প্রতীকে ১৪৬৪৪ ভোট)। 

এ আসনে মোট ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৪৪৯ জন ভোটারের মধ্যে ১ লাখ ৭২ হাজার ৪২১ জন ভোটার ভোট প্রদান করেছেন। এর মধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫৭৭ টি এবং বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ৪৮৪৪ টি। এ আসনে প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৪৩.৬০ শতাংশ। মোট ১৩৯টি কেন্দ্রে এ আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 
শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসনে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন। এরমধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো: শফিকুর রহমান (কিরন) ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৯ হাজার ৮১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭০ হাজার ৮৯২ ভোট। বাকি ৭ জন প্রার্থী প্রদত্ত ভোটের ৮ শতাংশ না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন, গণধিকার পরিষদের আখতারুজ্জামান সম্রাট (ট্রাক প্রতীকে ২৮৩ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইমরান হোসেন (হাতপাখা প্রতীকে ৬৫০৫ ভোট), জাতীয় পার্টির জসীমউদ্দীন (লাঙ্গল প্রতীকে ২৫৪৭ ভোট), জনতার দলের পারভেজ মোশাররফ (কলম প্রতীকে ৪৪২ ভোট), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মাহমুদুল হাছান (বটগাছ প্রতীকে ৩১৩ ভোট), স্বতন্ত্র প্রার্থী আলমগীর হোসেন (কম্পিউটার প্রতীকে ২৪৬ ভোট) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: নাসির (সোফা প্রতীকে ২০৬ ভোট)। 

এ আসনে মোট ৪ লাখ ১৫ হাজার ১৩৪ জন ভোটারের মধ্যে ভোট প্রদান করেছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ৯৬৪ ভোটার। এরমধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ১১ হাজার ২৪৮টি এবং বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ৫৭১৬টি। এ আসনে প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৫২.২৬ শতাংশ। মোট ১৩৬টি কেন্দ্রে এ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
 
শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা-গোসাইরহাট-ভেদরগঞ্জ) আসনে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। এরমধ্যে বিএনপির প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭ হাজার ৫১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ আজাহারুল ইসলাম দাড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৬৮৪ ভোট। বাকি দুজন প্রার্থী প্রদত্ত ভোটের ৮ শতাংশ না পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হানিফ মিয়া (হাতপাখা প্রতীকে ৯৮১৪ ভোট) ও জাতীয় পার্টির আব্দুল হান্নান (লাঙ্গল প্রতীকে ২০৬৪ ভোট)। 

এ আসনে মোট ৩ লাখ ৪০ হাজার ১৩৮ জন ভোটারের মধ্যে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮৭৪ জন ভোটার ভোট প্রদান করেছেন। এরমধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮টি এবং বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ৪৭৯৬টি। এ আসনে প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৫৭.০০ শতাংশ। মোট ১১৭টি কেন্দ্রে এ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পিএস

Wordbridge School
Link copied!