ফাইল ছবি
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নবম জাতীয় পে-স্কেলের গ্রেড সংখ্যা নির্ধারণ নিয়ে তিনটি বিকল্প নিয়ে ভাবনা চলছে জাতীয় বেতন কমিশনের মধ্যে। বর্তমানে ২০টি গ্রেড রয়েছে। কমিশনের একাংশ মনে করছে, বিদ্যমান গ্রেড ধরে রেখে যৌক্তিক হারে বেতন ও ভাতা বৃদ্ধি করা উচিত। অন্যদিকে কিছু সদস্যের মত, গ্রেড সংখ্যা ২০ থেকে কমিয়ে ১৬ করা হোক। আরও একাংশের যুক্তি, গ্রেড সংখ্যা ১৪ করলে বেতন বৈষম্য কম হবে।
কমিশনের এক সদস্য নাম প্রকাশ না করে জানিয়েছেন, বুধবারের সভায় গ্রেড সংখ্যা, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন নির্ধারণসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সব সদস্যের একমত থাকা প্রয়োজন।
জাতীয় বেতন কমিশন ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠনের মতামত বিশ্লেষণ করছে। তবে এখনও পুরো প্রতিবেদন প্রস্তুত হয়নি। সূত্র জানায়, সরকারি কর্মচারীরা সাম্প্রতিক মহাসমাবেশ বা কঠোর কর্মসূচিতেও বিচলিত নন। কমিশন বাস্তবসম্মত সুপারিশ তৈরির দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গত জুলাই মাসে নবম পে-স্কেলের প্রস্তাবনা প্রস্তুতির জন্য কমিশন গঠন করা হয়। ছয় মাসের মধ্যে সুপারিশ জমা দেয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও, কর্মচারীরা ডিসেম্বরের ১৫ তারিখের মধ্যেই নতুন গেজেট প্রকাশের দাবি জানিয়েছিলেন।
এসএইচ







































