ফাইল ছবি
নবম জাতীয় পে-স্কেলে গ্রেড সংখ্যা নির্ধারণ নিয়ে পে-কমিশনের সদস্যদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার কথা ছিল আগামী বুধবার ৩১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য কমিশনের সভায়। তবে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক ও ছুটি ঘোষণার কারণে ওই বৈঠক স্থগিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ৩০ ডিসেম্বর কমিশনের এক সদস্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানান, আগামীকালের সভা স্থগিত করা হয়েছে এবং এখনো নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। শিগগিরই নতুন তারিখ ঠিক করে কমিশনের সদস্যদের জানিয়ে দেওয়া হবে।
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নবম জাতীয় পে–স্কেলের গ্রেড সংখ্যা নিয়ে কমিশনের সদস্যদের মধ্যে তিন ধরনের চিন্তাভাবনা রয়েছে। একটি অংশের সদস্যরা মনে করেন, বিদ্যমান গ্রেড সংখ্যা অপরিবর্তিত রেখে যৌক্তিক হারে বেতন ও ভাতা বাড়ানোর সুপারিশ করা যেতে পারে।
তবে কমিশনের আরেকটি অংশ এই মতের বিরোধিতা করছে। তাঁদের মতে, বর্তমান ২০টি গ্রেড কমিয়ে ১৬টি করা উচিত। এতে কাঠামো সহজ হবে এবং বেতন কাঠামোয় সামঞ্জস্য আসবে।
এ ছাড়া কমিশনের আরও একটি অংশ গ্রেড সংখ্যা আরও কমিয়ে ১৪টি করার পক্ষে মত দিয়েছে। তাঁদের যুক্তি, গ্রেড সংখ্যা বেশি থাকায় বেতন বৈষম্য বাড়ার আশঙ্কা থাকে। সে কারণে গ্রেড সংখ্যা কমানো প্রয়োজন।
পে–কমিশনের এক সদস্য জানান, কমিশন এখনো বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। এর মধ্যে গ্রেড সংখ্যা নির্ধারণ অন্যতম। গ্রেড সংখ্যা আগের মতো থাকবে নাকি কমানো হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হলে কমিশনের সব সদস্যের সম্মতি প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার চলতি বছরের জুলাই মাসে নবম জাতীয় পে–কমিশন গঠন করে।
এসএইচ







































