ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা: তীব্র দরপতনের পর স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দাম আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) স্পট স্বর্ণের দাম ১.৬% বেড়ে দাঁড়ায় প্রতি আউন্সে ৪ হাজার ৩৯৮.৯৪ ডলার।
এর আগে সোমবার স্বর্ণের দাম গত দুই মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় দরপতন হয়। শুক্রবারের রেকর্ড উচ্চতা ৪ হাজার ৫৪৯.৭১ ডলার থেকে পিছিয়ে আসে। যা বিশ্লেষকদের মতে মুনাফা তুলে নেওয়ার ফল।
ঊর্ধ্বগতির কাঠামোগত ভিত্তি—দুর্বল মার্কিন ডলার ও চলমান ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা—এখনও বিদ্যমান,” যার কারণে স্বর্ণের দাম বাড়ছে।
চলতি বছর স্বর্ণের দাম ৬৬% বেড়েছে। যা ১৯৭৯ সালের পর সবচেয়ে বড় বার্ষিক বৃদ্ধি। এর পেছনে রয়েছে মুদ্রানীতি শিথিলকরণ, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্রয় এবং এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ডে (এফটিএফ) ধারণ বৃদ্ধির প্রভাব।
ফেডারেল রিজার্ভ মঙ্গলবারের পরে তাদের ডিসেম্বরের বৈঠকের কার্যবিবরণী প্রকাশ করবে, যেখানে ব্যবসায়ীরা আগামী বছরে দুই দফা সুদহার কমানোর সম্ভাবনা মূল্যায়ন করছে। সুদ না দেওয়া সম্পদ সাধারণত নিম্ন সুদের পরিবেশে ভালো পারফরম্যান্স করে।
এদিন রুপার দাম ৫.৭% বেড়ে দাঁড়ায় প্রতি আউন্সে ৭৬.৩৪ ডলার দাঁড়ায়। সোমবার এটি রেকর্ড উচ্চতা ৮৩.৬২ ডলারে পৌঁছালেও, এরপর আগস্ট ২০২০-এর পর সবচেয়ে বড় দৈনিক পতন ঘটে।
রুপার ফিউচার্সের জন্য ট্রেডারদের যে সিকিউরিটি ডিপোজিট রাখতে হয় তা ১৩.৬% বাড়িয়ে প্রতি চুক্তিতে ২৫,০০০ ডলারে উন্নীত করেছে, যা আগে ছিল ২২,০০০ ডলার।
এ বছর রুপার দাম ১৫৯% বেড়েছে, যার চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ তালিকায় এর অন্তর্ভুক্তি, সরবরাহ ঘাটতি এবং শিল্প ও বিনিয়োগকারীদের বাড়তে থাকা চাহিদা।
প্লাটিনামের দাম ৫% বেড়ে দাঁড়ায় প্রতি আউন্সে ২ হাজার ২১৪.১৫ ডলার। সোমবার এটি রেকর্ড উচ্চতাও ছুঁয়েছিল, ২ হাজার ৪৭৮.৫০ ডলারে। এরপর একদিনেই সবচেয়ে বড় পতন হয়েছে।
প্যালাডিয়ামের দাম ২.১% বেড়ে দাঁড়ায় প্রতি আউন্সে ১ হাজার ৬৫১ ডলার, সোমবার এই ধাতুটির দর ১৬% কমেছিল।
পিএস







































