• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ও যুদ্ধজাহাজ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৯:২৪ এএম
মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ও যুদ্ধজাহাজ

ফাইল ছবি

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানবাহী রণতরী ও একাধিক যুদ্ধজাহাজ ইতোমধ্যে ওই অঞ্চলে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) মার্কিন সরকারের দুজন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

কর্মকর্তাদের বরাতে রয়টার্স জানায়, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরীসহ কয়েকটি গাইডেড-ক্ষেপণাস্ত্র বহনকারী ধ্বংসকারী যুদ্ধজাহাজ মধ্যপ্রাচ্যে প্রবেশ করেছে। এসব যুদ্ধযান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, একটি মার্কিন নৌবহর ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এসব সামরিক শক্তি ব্যবহার করার প্রয়োজন হবে না।

ইরানজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকেই তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের উত্তেজনা বাড়তে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি মাসের শুরুতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে যুদ্ধজাহাজগুলো নতুন করে মোতায়েন করা হয়।

বিক্ষোভকারীদের হত্যার ঘটনা ঘটলে ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে ইরানজুড়ে বিক্ষোভের মাত্রা অনেকটাই কমেছে। ট্রাম্প আরও বলেন, তার কাছে আসা তথ্যে দেখা যাচ্ছে, বিক্ষোভকারীদের হত্যার ঘটনা কমেছে এবং আটক ব্যক্তিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কোনো পরিকল্পনা নেই।

অতীতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়লে যুক্তরাষ্ট্র সাধারণত প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকেই সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করেছে। তবে গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার আগে বড় ধরনের সামরিক প্রস্তুতি নিতে দেখা যায় মার্কিন বাহিনীকে।

সর্বশেষ পরিস্থিতিতে রণতরী ও যুদ্ধজাহাজের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিমান এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করছে পেন্টাগন। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এ অঞ্চলে একটি সামরিক মহড়াও পরিচালনা করা হবে।

এদিকে, গত সপ্তাহে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেন, তেহরানের বিরুদ্ধে যেকোনো হামলাকে ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাত সোমবার ঘোষণা দিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো শত্রুতামূলক সামরিক অভিযানে তারা তাদের আকাশসীমা, জলসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না।

উল্লেখ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবির দক্ষিণে অবস্থিত আল ধফরা বিমান ঘাঁটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি। ইসলামিক স্টেটবিরোধী অভিযানসহ পুরো অঞ্চলে নজরদারিতে এই ঘাঁটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

এম

Wordbridge School
Link copied!