ফাইল ছবি
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটে থাকা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমঝোতায় পাওয়া ৩০টি আসনের মধ্যে ২৭টিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। বাকি তিনটি আসনে শিগগিরই প্রার্থী চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছে দলটি।
রোববার এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ২৭ আসনের প্রার্থীদের নাম ও ছবিসহ পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে। প্রার্থীরা ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে ভোট চান।
চূড়ান্ত হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল: ঢাকা–১১ আসনে আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, রংপুর–৪ আসনে সদস্যসচিব আখতার হোসেন, কুমিল্লা–৪ আসনে দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, পঞ্চগড়–১ আসনে উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, ঢাকা–৮ আসনে মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাওয়ারী এবং নোয়াখালী–৬ আসনে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ।
অন্যান্য প্রার্থীর মধ্যে ঢাকা–১৮ আসনে আরিফুল ইসলাম আদীব, লক্ষ্মীপুর–১ আসনে মাহবুব আলম, সিরাজগঞ্জ–৬ আসনে এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, নরসিংদী–২ আসনে সারোয়ার তুষার, নারায়ণগঞ্জ–৪ আসনে আবদুল্লাহ আল আমিন, পার্বত্য বান্দরবান আসনে এস এম সুজা উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে মাওলানা আশরাফ মাহদী, চট্টগ্রাম–৮ আসনে জোবাইরুল হাসান আরিফ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৩ আসনে মোহাম্মদ আতাউল্লাহ রয়েছেন।
এছাড়া দিনাজপুর–৫ সংসদীয় আসনে মো. আবদুল আহাদ, নোয়াখালী–২ আসনে সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া, ঢাকা–১৯ আসনে দিলশানা পারুল, ঢাকা–২০ আসনে নাবিলা তাসনিদ, কুড়িগ্রাম–২ আসনে আতিক মুজাহিদ, ময়মনসিংহ–১১ আসনে জাহিদুল ইসলাম, টাঙ্গাইল–৩ আসনে সাইফুল্লাহ হায়দার, ঢাকা–৯ আসনে জাবেদ রাসিন, গাজীপুর–২ আসনে আলী নাছের খান, মুন্সিগঞ্জ–২ আসনে মাজেদুল ইসলাম, পিরোজপুর–৩ আসনে শামীম হামিদী এবং নাটোর–৩ আসনে এস এম জার্জিস কাদির প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ও যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন জানিয়েছেন, ‘২৭টি আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে। বাকি তিনটি আসনের প্রার্থী দ্রুত চূড়ান্ত করা হবে।’
গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে সংবাদ সম্মেলনে ২৫৩টি আসনে নির্বাচনী সমঝোতার ঘোষণা দেয় জামায়াত ও এনসিপিসহ ১০টি দল। এই সমঝোতায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থাকার কথা ছিল, কিন্তু দলটি না এসে এককভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং বাকি ৩২ আসনে অন্যদের সমর্থন দেয়।
এনসিপি এই নির্বাচনী ঐক্যের শরিক হিসেবে ৩০ আসনে লড়ছে। ইসলামী আন্দোলন বেরিয়ে যাওয়ার পর এনসিপি তাদের আসন বাড়ানোর বিষয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া এখনও বাকি।
এসএইচ







































