ছবি : প্রতিনিধি
ময়মনসিংহ: বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘যেই ভোটের অধিকারের জন্য গত ১৬ বছর মানুষ গুম, খুন, অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে এবং জুলাই মাসে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, সেই অধিকার প্রয়োগের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি। মানুষের কথা বলার ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতেই ভোটের অধিকার ফেরাতে হবে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহের সার্কিট হাউস মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, একাত্তর সালের যুদ্ধের মতো ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হবে। তাহাজ্জুদ পড়ে ধানের শীষের জন্য দোয়া করবেন এবং ফজরের নামাজ পড়ে সবাইকে নিয়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে অবস্থান নেবেন। শুধু ভোট দিলেই হবে না, কড়ায়-গন্ডায় ফলাফল বুঝে নিয়ে আসতে হবে।
আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন ঘিরে ভোটারদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘৭১ সালের যুদ্ধের মতো ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হবে। তাহাজ্জুদ পড়ে ধানের শীষের জন্য দোয়া করবেন এবং ফজরের নামাজ পড়ে সবাইকে নিয়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে অবস্থান নেবেন। শুধু ভোট দিলেই হবে না, কড়ায়-গন্ডায় ফলাফল বুঝে নিয়ে আসতে হবে। এর আগে যারা ভোট লুটপাট করেছে, তাদের বিরুদ্ধে এবার সতর্ক থাকতে হবে।’
যারা স্বৈরাচারের ভাষা ব্যবহার করে বিএনপিকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বলছে তাদের কাছে প্রশ্ন রেখে তারেক রহমান বলেন, ২০০১ সালের জোট সরকারে তাদেরও তো দুজন মন্ত্রী ছিলেন। বিএনপি যদি এতই খারাপ হতো, তবে তারা কেন তখন পদত্যাগ করেননি? তারা পদত্যাগ করেননি কারণ তারা জানতেন, বেগম খালেদা জিয়া কখনোই দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেননি। খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর দেশ দুর্নীতি থেকে বের হয়ে এসেছে।’
পিএস







































