ছবি: সংগৃহীত
বৈষম্যমুক্ত নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও ১ জানুয়ারি থেকে বাস্তবায়নের দাবিতে সারা দেশে সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত দপ্তরগুলোতে দুই ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করেছেন কর্মচারীরা।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই দাবিতে সোমবার ও মঙ্গলবারও দুই ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
কর্মচারীরা জানান, নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে তারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। এ জন্য সরকার একটি পে কমিশন গঠন করে এবং কমিশনের প্রতিবেদন ইতিমধ্যে সরকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় এবং সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টা কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হবে না বলে মন্তব্য করায় কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দুই ঘণ্টার জন্য সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হন। এ বিষয়ে আন্দোলনকারী কর্মচারীরা বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেছেন। কিন্তু ন্যূনতম বেতন দিয়ে পেটের ক্ষুধা নিবারণের ব্যবস্থা না করলে আর কতদিন অপেক্ষা করা সম্ভব, সে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। বাধ্য হয়েই রাস্তায় নামতে হয়েছে বলেও জানান কর্মচারীরা।
আন্দোলনকারীরা বলেন, দাবি বাস্তবায়ন হলে তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে কাজে ফিরে যাবেন। একই সঙ্গে মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য ন্যূনতম বেতন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান সরকারের প্রতি।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে গত ৩০ জানুয়ারি ১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে দাবি আদায় না হলে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে ভুখা মিছিল করার ঘোষণাও দিয়েছে সংগঠনটি।
এসএইচ







































