ফাইল ছবি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি জোরদার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা গঠনের আলোচনা চলার পাশাপাশি এবার সংসদের স্পিকার পদ নিয়েও দলটির ভেতরে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় সূত্র ও রাজনৈতিক মহলের তথ্য অনুযায়ী, বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে স্পিকার পদে ড. আবদুল মঈন খান–এর নাম গুরুত্বের সঙ্গে উঠে এসেছে।
নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর সংসদ গঠন, সাংবিধানিক কাঠামো নিশ্চিত করা, বিরোধী দলের সঙ্গে সম্পর্ক ও সংসদের কার্যক্রম পরিকল্পনা—সবকিছু নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা বাড়ছে। এসব বিবেচনায় স্পিকারের পদকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংসদের কার্যক্রম পরিচালনা, আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া সচল রাখা এবং রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে স্পিকারের ভূমিকা কেন্দ্রীয় হওয়ায় দলটি এ পদে অভিজ্ঞ নেতাকে আনার পক্ষে ঝুঁকছে।
দলীয় অভ্যন্তরীণ আলোচনায় ড. মঈন খানের নাম সামনে আসার পেছনে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক সম্পৃক্ততাকে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা এই নেতা বিভিন্ন সময়ে মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দলীয় কাঠামোতেও প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছেন। ফলে সংসদ পরিচালনার মতো সংবেদনশীল দায়িত্বে তাকে উপযুক্ত মনে করছেন দলের একটি অংশ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলের জন্য সংসদের কার্যক্রম সুসংগঠিত রাখা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। সে কারণে স্পিকার পদে এমন একজন নেতাকে বসানো দরকার, যিনি সংসদীয় প্রক্রিয়া বোঝেন, বিরোধী দলের সঙ্গে সমন্বয় করতে পারেন এবং সংসদের মর্যাদা বজায় রাখতে সক্ষম। এই বাস্তবতা থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ড. মঈন খানের নাম।
দলীয় একটি সূত্র জানায়, সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর স্পিকার পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। তবে এখনই অভ্যন্তরীণ আলোচনায় বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে এবং সম্ভাব্য নামগুলোর মধ্যে ড. মঈন খানই সবচেয়ে আলোচিত।
চাইলে এটাকে আরও ছোট নিউজ, বা বিশ্লেষণ যোগ করে ফুল পেজ রিপোর্ট স্টাইলেও সাজিয়ে দিতে পারি।
এসএইচ






































