ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, ডেমরা ও কদমতলী (আংশিক) থানার আওতাধীন ঢাকা-৫ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি দলের কেন্দ্রীয় মজলিশের সদস্য। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির প্রার্থী মো. নবীউল্লাহ নবী।
কামাল হোসেন জানান, এই বিজয় ব্যক্তিগত নয়, এটি জনগণের বিজয়। তিনি বলেন, “এটা অন্যায়, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দখলবাজির বিরুদ্ধে ন্যায় ও ইনসাফের বিজয়।”
নির্বাচিত এমপি মনে করেন, জনগণ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম তাঁকে ভোট দিয়েছেন বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং অবহেলিত এলাকাগুলো উন্নয়নের প্রত্যাশায়। তিনি আরও জানান, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাই তাঁর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
কামাল হোসেন বলেন, “চাঁদাবাজি, মাদক, সন্ত্রাস ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স থাকবে। এখানে কোনো আপস নেই। আমি সব মানুষের এমপি। সবাইকে ইনসাফভিত্তিকভাবে সেবা করার চেষ্টা করব।”
নির্বাচনের পর তিনি ছয়টি ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেছেন, মসজিদে নামাজে অংশ নিয়েছেন এবং স্থানীয় মুরুব্বি ও সিনিয়রদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তিনি জানান, বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন এবং সকলের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সংসদে তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার হবে জনদূর্ভোগ লাঘব, জলাবদ্ধতা নিরসন, রাস্তা-সড়ক, খাল খনন এবং ওয়ার্ডভিত্তিক ন্যায্য উন্নয়ন বাজেট নিশ্চিত করা। নির্দিষ্ট প্রকল্প হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার থেকে হাজীনগর এলাকায় যাওয়ার ব্রিজের সংস্কার ও জলাবদ্ধতা সমাধান।
কামাল হোসেন ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, “আমি সবার এমপি হতে চাই। দল-মত নির্বিশেষে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সেবা নিশ্চিত করাই আমার লক্ষ্য। জনগণের আস্থার মর্যাদা রাখাই আমার সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।”
এসএইচ






































