• ঢাকা
  • বুধবার, ০৭ জানুয়ারি, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

তীব্র শীতে বিপর্যস্ত ঈশ্বরদীর জনজীবন, তাপমাত্রা রেকর্ড ৮.৪ ডিগ্রি


ঈশ্বরদী (পাবনা ) প্রতিনিধি জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
তীব্র শীতে বিপর্যস্ত ঈশ্বরদীর জনজীবন, তাপমাত্রা রেকর্ড ৮.৪ ডিগ্রি

ঘন কুয়াশা, উত্তরের হিমেল হাওয়া ও দেরিতে সূর্যের দেখা মেলায় স্থবির হয়ে পড়েছে ঈশ্বরদীর জনজীবন। সোমবার(৫ জানুয়ারি) ঈশ্বরদীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক  ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি চলতি  মৌসুমে ঈশ্বরদীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

কুয়াশায় ঢাকা থাকে সূর্য। তাপমাত্রা ক্রমাগত কমে যাওয়ায় তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তীব্র শীত মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় গরম কাপড়ের অভাবে দরিদ্র মানুষের রাত কাটছে নির্ঘুম। কাঠ ও খড় জ্বালিয়ে আগুন পোহানোই হয়ে উঠেছে তাদের একমাত্র ভরসা।

এদিকে টানা এই শীতের দাপটে শহর-গ্রামে জীবন যাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও প্রান্তিক মানুষ দুর্বিষহ অবস্থায় জীবনযাপন করছেন।

ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার সকালে  ঈশ্বরদীর সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে টানা শৈত্যপ্রবাহে আরো বেশি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ঈশ্বরদীর পদ্মা নদীর জেগে ওঠা বিলবামনি ও মোল্লার চরে বাতান( খামার) করে থাকা মহিষ পালনের খামারিরা।  কনকনে শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছেন খামারের শ্রমিকসহ প্রাণিকুল। সূর্যের দেখা দেরিতে মিললেও ঠাণ্ডা বাতাসে হাড় কাঁপিয়ে দিচ্ছে তাদের। এদিকে সন্ধ্যা লাগার আগেই  ঢেকে আসছে কুয়াশা। তাপমাত্রার সঙ্গে বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় এবং বাতাসের কারণে শীত অনুভূতও হচ্ছে খুব বেশি।

সোমবার সকালেও ছিলো কুয়াশা ঘেরা। বেলা বাড়ার সাথে সাথে কুয়াশা সরে যায়। রোদের দেখা মেলে। কিন্তু থেকে যায় শীতের আবহ। ফলে মানুষজনের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ব্যহত হয়। মোটা জ্যাকেট, মাফলারে ঢেকে মানুষজনকে জবুথবু হয়ে পথ চলতে দেখা যায়। হাড় কাঁপানো শীতে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না অনেকে। তীব্র শীতে বেশি দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে খেটে খাওয়া মানুষের।অন্যান্য বছর শীতের শুরুতেই দানশীল ব্যক্তি ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে কম্বল ও গরম কাপড় বিতরণ করা হলেও এ বছর এখনো তেমন কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমানের উদ্যোগে শহরের কয়েকটি এলাকায় সীমিত পরিসরে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

পৌর শহরের রিকশাচালক  আলম আলী বলেন, শীতের সকালে ও রাতে একেবারেই যাত্রী পাওয়া যায় না। বেলা একটু বাড়লে লোকজন কাজে বের হয়। কিন্তু যাত্রী কমে যাওয়ায় আয় রোজগারও কমেছে।

এম

Wordbridge School
Link copied!