ফাইল ছবি
শেরপুরে জামায়াত নেতা মাওলানা রেজাউল করিম হত্যা মামলায় প্রধান আসামি ও বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হককে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি কামরুল হোসেন মোল্লা ও বিচারপতি ফয়সাল হাসান আরিফের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
এর আগে রোববার শেরপুর-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল হক আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করেন। সোমবার তাকে ছাড়াও মামলার আরও ৩৯ জন আসামিকে আগাম জামিন দেওয়া হয়।
গত বুধবার সন্ধ্যায় শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত রেজাউল করিমের বয়স ছিল ৪০ বছর।
এই ঘটনার পরদিন বৃহস্পতিবার ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়। নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সেদিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শেরপুরের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ইউএনও ও ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রার্থীদের বিরুদ্ধে জুডিশিয়াল ইনকোয়ারি কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
এদিকে জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের মৃত্যুর ঘটনায় শুক্রবার দিবাগত রাতে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা দায়ের করা হয়। নিহতের স্ত্রী মোছা. মার্জিয়া বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
মামলায় ২৩৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫০০ জনসহ মোট ৭৩৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। আলোচিত এই মামলায় বিএনপির বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনাটি স্থানীয় রাজনীতিতে উত্তেজনা তৈরি করেছে এবং নির্বাচনী পরিবেশে এর প্রভাব নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।
এসএইচ







































