• ঢাকা
  • সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

এপস্টেইন কেলেঙ্কারি: জরিত ব্রিটিশ মন্ত্রীর দল হতে ইস্তফা


নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ০২:৩১ পিএম
এপস্টেইন কেলেঙ্কারি: জরিত ব্রিটিশ মন্ত্রীর দল হতে ইস্তফা

ছবি: সংগৃহীত

জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে যুক্ততা নিয়ে নতুন করে উত্থাপিত বিতর্কের কারণে লেবার পার্টির সদস্যপদ ত্যাগ করেছেন যুক্তরাজ্যের সাবেক মন্ত্রী লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসন। তিনি আর কোনোভাবে দলকে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে ফেলতে চান না বলে জানিয়েছেন।

গত বছর এপস্টেইনের সঙ্গে তার পূর্বের সম্পর্কের কারণে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছিল। শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রকাশিত সর্বশেষ দলিলপত্রেও লর্ড ম্যান্ডেলসনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

লেবার পার্টির সাধারণ সম্পাদকের উদ্দেশ্যে লেখা একটি চিঠিতে লর্ড ম্যান্ডেলসন উল্লেখ করেন, ‘এই সপ্তাহান্তে এপস্টেইনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট স্বাভাবিক ক্ষোভের সঙ্গে আমাকে আবারও জড়ানো হয়েছে। এতে আমি দুঃখিত এবং অনুতপ্ত।’  ওই নথিতে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ২০০৩ ও ২০০৪ সালে এপস্টেইন তিন কিস্তিতে মোট ৭৫ হাজার মার্কিন ডলার (প্রায় ৫৫ হাজার পাউন্ড) লর্ড ম্যান্ডেলসনকে প্রদান করেছিলেন।

তিনি বলেন, ‘প্রায় ২০ বছর আগে তার সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের যে অভিযোগ উঠেছে, তা আমি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে বিশ্বাস করি। এসব বিষয়ে আমার কোনো স্মৃতি বা প্রমাণপত্র নেই। এগুলো আমার পক্ষ থেকে খতিয়ে দেখা দরকার। এই প্রক্রিয়ায় দলকে আর কোনো অস্বস্তিতে ফেলতে চাই না বলে আমি লেবার পার্টির সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।’

এপস্টেইনের সঙ্গে পরিচয় থাকা এবং তার দণ্ডের পরও যোগাযোগ অব্যাহত রাখার জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। নির্যাতিত নারী ও কিশোরীদের প্রতি তিনি নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।
ইমেইলের তথ্য থেকে জানা গেছে, ২০০৮ সালে এপস্টেইনের দণ্ডের পরও লর্ড ম্যান্ডেলসন তার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন এবং সমর্থনমূলক বেশ কয়েকটি বার্তা পাঠিয়েছিলেন। এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথিতে প্রকাশিত কয়েকটি ছবিতে তাকে অন্তর্বাস পরা অবস্থায় এক নারীর পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। ছবিটি আংশিক ঝাপসা এবং ওই নারীর মুখ অস্পষ্ট।

এ বিষয়ে লর্ড ম্যান্ডেলসন বলেন, ‘ছবিটি কোথায় তোলা হয়েছে বা সেই নারী কে ছিলেন, তা আমি কিছুই বলতে পারছি না। সেই পরিস্থিতিও আমার মনে নেই।’

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় একটি সমঝোতা চুক্তির আওতায় এপস্টেইন দোষ স্বীকার করেন। ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করার অভিযোগসহ দুটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়ে তিনি কারাদণ্ড ভোগ করেন। ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের এক কারাগারে কিশোরী পাচারের অভিযোগে বিচারাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এসবিআর

Wordbridge School
Link copied!